গুনা, ২৮ জুন (আইএএনএস): কেন্দ্রীয় যোগাযোগ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়নমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া মধ্যপ্রদেশের গুনায় ‘জিতো ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমি’-র উদ্বোধন করলেন। স্থানীয় ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং এলাকার যুবকদের পেশাদার প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অ্যাকাডেমির উদ্বোধনের পর সিন্ধিয়া কিছুক্ষণ শিশুদের সঙ্গে ব্যাডমিন্টনও খেলেন।
এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী-কুসুম প্রকল্পের আওতায় রুঠিয়াইয়ে নির্মিত ৪.৫ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি, পাতাই গ্রামের প্রাচীন রাম-জানকি মন্দিরের সংস্কারের জন্য ভূমিপুজোও সম্পন্ন করেন।
গুনা রেলস্টেশন থেকে বিনা-গুনা-ইন্দোর মেমু ট্রেন পরিষেবা-রও সূচনা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এর ফলে ওই অঞ্চলের রেল যোগাযোগ আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিন দিনের গুনা সফরে সিন্ধিয়া সাধারণ মানুষের অভিযোগও শোনেন। সার্কিট হাউসে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যা সংক্রান্ত আবেদন গ্রহণ করেন তিনি।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘এক পেড় মা কে নাম’ অভিযানের অংশ হিসেবে কুনো নদীর উৎসস্থল কানজা গ্রামে ৭০০টি চারা গাছ রোপণ করেন তিনি।
এর আগে, ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘কুনো নদী পুনরুজ্জীবন প্রকল্প’-এরও সূচনা করেন সিন্ধিয়া।
জল গঙ্গা সংবর্ধন অভিযান-এর জেলা-স্তরের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “পৃথিবী এবং প্রকৃতিই মানবজাতির অস্তিত্বের একমাত্র ভরসা।” প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীর উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষায় দেশজুড়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি জানান, কুনো নদীর উৎসস্থলে ইতিমধ্যেই ১,৭০০টিরও বেশি চারা গাছ লাগানো হয়েছে এবং মোট ২,৫০০টি গাছ লাগানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবারও সিন্ধিয়া রুঠিয়াইয়ের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন এবং পাতাই গ্রামের প্রাচীন রাম-জানকি মন্দিরের সংস্কারের ভূমিপুজোয় অংশ নিয়েছিলেন। উন্নয়নের পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণেও জোর দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।



















