News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • সরকারি চাকরিতে পিআরটিসি ইস্যুতে পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিটিইএ-র
Image

সরকারি চাকরিতে পিআরটিসি ইস্যুতে পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিটিইএ-র

আগরতলা, ১৪ আগস্ট: সরকারি চাকরিতে পিআরটিসি বাধ্যতামূলক না রাখার রাজ্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে স্থানীয় যুবকদের স্বার্থ সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাল ত্রিপুরা ট্রাইবেল এমপ্লয়িস এসোসিয়েশন (টিটিইএ)।

১২ আগস্ট আগরতলায় সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার সময় খাদ্য, পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী তথা মন্ত্রিসভার মুখপাত্র সুশান্ত চৌধুরী জানান, ত্রিপুরা সরকারের সরকারি চাকরিতে পিআরটিসি আর বাধ্যতামূলক থাকবে না। নতুন ব্যবস্থায় প্রার্থীদের ত্রিপুরার কোনও বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী-এর মধ্যে অন্তত পাঁচ বছর নিয়মিত পড়াশোনা করার প্রমাণ দিতে হবে এবং নিয়োগের সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাগত নথি জমা দিতে হবে।

টিটিইএ-র সাধারণ সম্পাদক বলেন, ত্রিপুরার সঙ্গে দীর্ঘদিনের শিক্ষাগত সম্পর্ককে বিবেচনায় রেখে পাঁচ বছরের বিদ্যালয়ের মানদন্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে এর পাশাপাশি স্থানীয় যুবকদের জন্য কার্যকর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালে রাজ্য সরকার সরকারি চাকরিতে পিআরটিসি বাধ্যতামূলক করেছিল মূলত ত্রিপুরার স্থানীয় যুবকদের সরকারি চাকরিতে সুযোগ ও অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে। বর্তমানে আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সেই বাধ্যতামূলক শর্ত প্রত্যাহার করে পাঁচ বছরের বিদ্যালয়ের মানদন্ড চালু করা হয়েছে। কিন্তু নতুন ব্যবস্থায় ত্রিপুরার দীর্ঘদিনের স্থায়ী বাসিন্দা ও স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য কার্যকর অগ্রাধিকার কীভাবে নিশ্চিত হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

টিটিইএ-র বক্তব্য, শুধুমাত্র পাঁচ বছরের পড়াশোনার শর্তের ভিত্তিতে যদি ত্রিপুরার বাইরে থাকা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী সরকারি চাকরির প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান এবং স্থানীয় প্রার্থীদের জন্য কোনও কার্যকর অগ্রাধিকার না থাকে, তাহলে রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবকদের প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তাই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আগে অন্যান্য রাজ্যে স্থানীয় প্রার্থীদের জন্য বিদ্যমান নিয়ম ও বিধিবিধানগুলিও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন ছিল বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ত্রিপুরার যুবসমাজ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রতিযোগিতার বিরোধী নয়। তবে ত্রিপুরার দীর্ঘদিনের স্থায়ী বাসিন্দা ও স্থানীয় বেকার যুবকদের ন্যায্য সুযোগ এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের বিষয়টিও উপেক্ষা করা উচিত নয়।

এই পরিস্থিতিতে পিআরটিসি-এর পাশাপাশি পাঁচ বছরের বিদ্যালয়ের মানদন্ড-কে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি গ্রহণের দাবি জানিয়েছে টিটিইএ। ত্রিপুরার যুবকদের ভবিষ্যৎ ও কর্মসংস্থানের স্বার্থে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে একটি সুস্পষ্ট, ন্যায়সঙ্গত ও ভারসাম্যপূর্ণ নিয়োগনীতি প্রণয়নের জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন টিটিইএ-র সাধারণ সম্পাদক কে. এম. দেববর্মা।

Releated Posts

মামলা করে ভয় দেখিয়ে বিরোধীদের কাবু করা যাবে না: মানিক সরকার

আগরতলা, ১৪ আগস্ট: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে ত্রিপুরায়। তাঁর…

ByByReshmi Debnath Aug 14, 2026

স্বাধীনতা দিবসে ত্রিপুরার ৫ পুলিশকর্মী পাচ্ছেন মেরিটোরিয়াস সার্ভিস পদক

আগরতলা, ১৪ আগস্ট:  স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেশের পুলিশ, ফায়ার, হোম গার্ড, সিভিল ডিফেন্স ও সংশোধনাগার পরিষেবার কর্মীদের…

ByByReshmi Debnath Aug 14, 2026

নিয়োগ বিতর্কে এডিসি প্রশাসনে অস্বস্তি, ১৫ নিয়োগপ্রাপকের বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

আগরতলা, ১৩ আগস্ট: কথিত নিয়মবহির্ভূত নিয়োগের অভিযোগে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় বড় ধাক্কা খেল ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা…

ByByReshmi Debnath Aug 13, 2026

পাগল হয়ে গেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তীব্র আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর

আগরতলা, ১৩ আগস্ট: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিআইএম নেতা মানিক সরকারের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরার রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র…

ByByReshmi Debnath Aug 13, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top