আগরতলা, ৪ জুন: ত্রিপুরার জন্য আরও একটি গর্বের মুহূর্ত এনে দিল পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার মোহনপুর আর.ডি. ব্লকের অন্তর্গত বিজয়নগর গ্রাম পঞ্চায়েত। ভারতের প্রশাসনিক সংস্কার ও জনঅভিযোগ দপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার ২০২৬-এ বিজয়নগর গ্রাম পঞ্চায়েত রৌপ্য পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
রাজ্যের বিদ্যুৎ, কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতন লাল নাথ বলেন এটি সমগ্র ত্রিপুরাবাসীর জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। প্রযুক্তিনির্ভর জনসেবা, তৃণমূল স্তরে উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা সহজলভ্য করে তোলার ক্ষেত্রে বিজয়নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের এই জাতীয় স্বীকৃতি রাজ্যের জন্য এক অসাধারণ অর্জন।
মন্ত্রী আরও বলেন এই সাফল্য প্রমাণ করে যে আমাদের পঞ্চায়েত প্রতিষ্ঠানগুলি শুধু উন্নয়নের অংশীদার নয়, বরং ডিজিটাল সুশাসন ও জনমুখী প্রশাসনের ক্ষেত্রে দেশের সামনে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
তিনি বিজয়নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সকল জনপ্রতিনিধি, আধিকারিক, কর্মী এবং সাধারণ নাগরিকদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, তাদের নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম এবং উদ্ভাবনী চিন্তাধারার ফলেই এই সম্মান অর্জিত হয়েছে।”
মন্ত্রী বলেন প্রতি বছর সমগ্র দেশ থেকে মাত্র দুটি পঞ্চায়েতকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এ বছর মহারাষ্ট্রের সাংলি জেলা প্রথম স্থান অধিকার করেছে এবং মোহনপুর আর.ডি. ব্লকের বিজয়নগর গ্রাম পঞ্চায়েত দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।
তিনি এই সাফল্যের জন্য বিজয়নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সমগ্র দল, মোহনপুর ব্লকের আধিকারিকবৃন্দ, কর্মী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
মন্ত্রী জানান, দক্ষ পরিষেবা প্রদান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক শিক্ষামূলক উদ্যোগ, ‘গ্রাম বার্তা’ অ্যাপের উন্নয়ন, বিজয়নগরে প্রথমবারের মতো মহিলাদের মধ্যে ডিজিটাল সাক্ষরতার প্রসার এবং রাজ্যের একমাত্র পঞ্চায়েত হিসেবে শতভাগ পুরনো নথি ও তথ্য ডিজিটাল সংরক্ষণের মতো উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ডের জন্যই বিজয়নগর এই সম্মান অর্জন করেছে।



















