নয়াদিল্লি, ১৭ মে (আইএএনএস): মাদক পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযানে দিল্লির বাপরোলা এলাকায় এক মাদক সরবরাহকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযানে তার কাছ থেকে ৮.১২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে রবিবার পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।
অভিযানটি চালায় দিল্লি পুলিশ-এর আউটার ডিস্ট্রিক্টের স্পেশাল স্টাফ বিভাগ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য এবং সাইকোট্রপিক পদার্থ আইন (এনডিপিএস) আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আউটার ডিস্ট্রিক্টের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানান, “এনডিপিএস আইনের অধীনে এক মাদক সরবরাহকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে” এবং “তার কাছ থেকে ৮.১২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ মে স্পেশাল স্টাফের সাব-ইন্সপেক্টর বিপিন গোপন সূত্রে খবর পান যে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় গাঁজা সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি সন্ধ্যার সময় বাপরোলা এলাকায় মাদক সরবরাহ করতে আসবে।
তথ্য পাওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। সাব-ইন্সপেক্টর বিপিন কুমার, এএসআই মুরারি লাল, হেড কনস্টেবল রোহিত, কনস্টেবল হরকেশ, বিজয় লৌরা এবং অনুজকে নিয়ে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। বীরেন্দ্র দালাল-এর তত্ত্বাবধানে এবং ইন্সপেক্টর রোহিতের নেতৃত্বে ওই দল বাপরোলায় ফাঁদ পাতে।
কিছুক্ষণ পর একটি নীল রঙের ব্যাগ হাতে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে দেখতে পায় পুলিশ। গোপন সূত্রের ব্যক্তি তাকে শনাক্ত করার পর পুলিশ তাকে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতের পরিচয় জানা যায় আলতাফ আলম (২০) হিসেবে, যিনি উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরের বাসিন্দা। তার ব্যাগ তল্লাশি করে চারটি প্যাকেটে লুকানো গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই উদ্ধার হওয়া গাঁজার ওজন করা হয় এবং তা ৮.১২০ কেজি বলে নিশ্চিত হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া মেনে বাজেয়াপ্ত করা হয়।
এরপর রানহোলা পুলিশ স্টেশন-এ এনডিপিএস আইনে এফআইআর দায়ের করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের উৎস এবং এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য সদস্যদের খুঁজে বের করতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বৃহত্তর মাদক সরবরাহ নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যে তদন্তও চলছে।


















