চণ্ডীগড়, ১৭ মে (আইএএনএস): হরিয়ানা-তে চলমান ২০২৭ সালের জনগণনার হাউসলিস্টিং ও হাউজিং সেন্সাস (এইচএলও) কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় ইতিমধ্যেই হাউসলিস্টিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং একাধিক জেলায় ১০০ শতাংশ সূচনা সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব অনুরাগ রাস্তোগী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা শাসক, পুর কমিশনার, জেলা শিক্ষা আধিকারিক এবং অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করেন। বৈঠকে জনগণনা কার্যক্রমের অগ্রগতি ও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে মুখ্যসচিব সব আধিকারিককে জনগণনার কাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জনগণনা নীতি নির্ধারণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা, সম্পদ বণ্টন এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের অন্যতম ভিত্তি। তাই প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
রাস্তোগি আরও জানান, জনগণনার কাজে কোনও কর্মী অবহেলা করলে বা অসহযোগিতা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনগণনা কার্যক্রমের অধিকর্তা ললিত জৈন জানান, হরিয়ানার মোট হাউসলিস্টিং ব্লকের ৯৭ শতাংশেরও বেশি এলাকায় কাজ শুরু হয়ে গেছে।
যমুনানগর, কুরুক্ষেত্র, কাইথাল, কর্নাল, ফতেহাবাদ, হানসি, চরখি দাদরি এবং ফরিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ১০০ শতাংশ হাউসলিস্টিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এর মধ্যে চরখি দাদরি জেলা সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে, যেখানে ৩২ শতাংশেরও বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ফতেহাবাদ, হানসি, জিন্দ এবং মহেন্দ্রগড় জেলাতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে।
পুরনিগমগুলির মধ্যে পানিপথ সর্বাধিক কাজ সম্পন্ন করেছে। তার পরেই রয়েছে রোহতক এবং ফরিদাবাদ।
বৈঠকে আর্থিক কমিশনার সুমিতা মিশ্র জনগণনা সফল করতে পুরসভা, গ্রাম প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্য এবং আবাসিক কল্যাণ সমিতিগুলির সক্রিয় সহযোগিতার উপর জোর দেন। পাশাপাশি গ্রামসভাগুলিকে জনগণনা প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা এবং সচেতনতা বাড়ানোরও আহ্বান জানান।
জেলা প্রশাসনগুলিকে জনগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের কাজের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বিন্যাস করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মাঠপর্যায়ের কাজ শেষ করা যায়।
_______


















