ইম্ফল, ১২ মে (আইএএনএস): মণিপুর সরকার মঙ্গলবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে রাজ্যে এলপিজি, পেট্রোল ও ডিজেলের কোনও ঘাটতি নেই। একইসঙ্গে জ্বালানি পণ্যের কালোবাজারি, মজুতদারি বা অন্য কোনও অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।
ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন দফতরের অধিকর্তা ইউমনাম নেলসন এক বিবৃতিতে জানান, রাজ্যে এলপিজি ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের ঘাটতি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে প্রশাসনের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, এই ধরনের ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর দাবি সাধারণ মানুষের মধ্যে অযথা আতঙ্ক তৈরি করছে এবং ক্রেতাদের ভুল পথে পরিচালিত করছে।
নেলসনের বক্তব্য অনুযায়ী, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেডের (আইওসিএল) ইম্ফল শাখার রাজ্য সমন্বয়কারী নিশ্চিত করেছেন যে মণিপুরে এলপিজি, পেট্রোল বা ডিজেলের কোনও ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং গোটা রাজ্যে সরবরাহ স্বাভাবিকভাবেই চলছে।
তিনি আরও জানান, আইওসিএল-ও পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে এলপিজি ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনও বিঘ্ন ঘটেনি। ভোক্তা বিষয়ক দফতরের অধিকর্তা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে এলপিজি সিলিন্ডার বা জ্বালানি মজুত না করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের কাজ দুর্ঘটনা ও গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, যে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা যদি কালোবাজারি, মজুতদারি বা জ্বালানি বিক্রি ও বণ্টনে কোনও ধরনের অনিয়মে জড়িত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নেলসন আরও জানান, পেট্রোল বা ডিজেল জেরিক্যান বা অন্য কোনও পাত্রে ভরে কেনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সরকারি নির্দেশ অমান্য করলে তেল পাম্প ও খুচরো বিক্রেতাদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সরকার জানিয়েছে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘প্রিভেনশন অফ ব্ল্যাক মার্কেটিং অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স অফ সাপ্লাইজ অফ এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট, ১৯৮০’, ‘পেট্রোলিয়াম অ্যাক্ট, ১৯৩৪’ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইনের অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















