চড়িলাম, ২২ এপ্রিল: এক সময়ে শান্ত কৃষি জমি এখন একটি ব্যস্ত পর্যটন কেন্দ্রে হয়েছে। কারণ সেখানকার প্রাণবন্ত সূর্যমুখীর বাগান রাজ্যজুড়ে এ পর্যটকদের আকর্ষণ করে চলছে। দূরবর্তী এলাকা যেমন জিরানিয়া ও মোহনপুরের দূর দূরান্ত থেকে সেই সোনালী ফুলগুলো দেখতে আসছেন,যা দ্রুতই সোশ্যাল মিডিয়া আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী খোলা আকাশের নিচে গর্ভের সাথে দাঁড়িয়ে থাকা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ফুলের মাঝে ছবি, ভিডিও ও সেলফি তোলার জন্য উৎসুক হয়ে মাঠে ভিড় জমাচ্ছেন। এই মনোরম দৃশ্যাবলী বাগানটিকে আরো মনোরম করে তুলেছে।
বর্তমানে পরিমল চৌমুহনী থেকে ১০০ মিটার দূরে তিনটি সূর্যমুখী ফুলের বাগান করেছেন এক কৃষক। তার নাম চিত্তরঞ্জন মজুমদার। এই তিনটি বাগান থেকে সামনের দিকে ১০০ মিটার এর মধ্যে কৃষক সঞ্জীব দাস ও এই সোনালী, সূর্যমুখী ফুলের বাগান তৈরি করেছেন। যার উদ্বোধনী চাষাবাদ পদ্ধতি অপ্রত্যাশিতভাবে তাদেরকে খ্যাতি এনে দিয়েছে। প্রত্যেক দর্শনার্থীর কাজ থেকে প্রবেশ মূল্য ১০ টাকা করে নেন। আর প্রতিটি সূর্যমুখী ফুল বড় আকারে ১০০ টাকা এবং ছোট আকারের ফুলগুলি ৫০ টাকা করে বিক্রি করছেন। এই দুইজন কৃষক জানান সরকারিভাবে সহযোগিতা করেছেন কেভিআই উৎপল স্যার।
তাদের এক টাকাও খরচ করতে হয়নি। সরকারিভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য এই দুইজন বেনিফিসারিকে সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন কৃষি কল্যাণ দপ্তর। সার, বীজ ও জলের সেচব্যবস্থা থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তবে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের মতে কৃষকের জীবিকার রক্ষার জন্য প্রবেশ মূল্য চালু করা হয় ১০ টাকা। কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরাই প্রথম চড়িলামে এ দুজন বেনিফিসারি কৃষক কৃষকদের সূর্যমুখী ফুল চাষ করার পরামর্শ দেন। যা চড়িলামকে একটি অবশ্য দর্শনীয় গন্তব্যে রূপান্তরিত করেছে এবং কৃষি ক্ষেত্রে উদ্ভাবন কিভাবে গ্রামীন পর্যন্তের জন্য নতুন ধার উন্মোচন করতে পারে তা তুলে ধরেছে।



















