নয়াদিল্লি, ১৮ এপ্রিল (আইএএনএস): নারী সংরক্ষণ বিলকে ডিলিমিটেশনের সঙ্গে যুক্ত করে কেন্দ্র আসলে সংবিধানের কাঠামো বদলাতে এবং নির্বাহী ক্ষমতা নিজের হাতে কেন্দ্রীভূত করতে চাইছে বলে অভিযোগ তুললেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ পোস্ট করে খাড়গে বলেন, কংগ্রেস বরাবরই নারী সংরক্ষণের পক্ষে। “২০২৩ সালে আমরা নারী সংরক্ষণ বিলকে সমর্থন করেছিলাম এবং তা পাশ করাতে সাহায্য করেছিলাম। কিন্তু এখন মোদি সরকার নারী সংরক্ষণের আড়ালে ডিলিমিটেশন যুক্ত করে নতুন সংশোধনী এনেছে,” বলেন তিনি।
খাড়গের অভিযোগ, এইভাবে নারী সংরক্ষণ ও ডিলিমিটেশনকে একসঙ্গে জুড়ে দিয়ে সরকার নিজেদের ক্ষমতা আরও সুসংহত করতে চাইছে। তাঁর কথায়, “ডিলিমিটেশনের সঙ্গে যুক্ত বিল এনে মোদি সরকার নিজেদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চাইছে।”
তিনি আরও বলেন, নারী সংরক্ষণ বর্তমান ৫৪৩টি লোকসভা আসনের কাঠামোর মধ্যেই কার্যকর করা উচিত। পরে জনগণনা ও ডিলিমিটেশন সম্পন্ন হলে তা সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। “কিন্তু সরকার তা করতে রাজি নয়,” মন্তব্য খাড়গের।
তিনি পুনরায় দাবি করেন, “বাস্তবে মোদি সরকারের আসল উদ্দেশ্য সংবিধানের কাঠামো পরিবর্তন করে নির্বাহী ক্ষমতা নিজেদের হাতে নেওয়া।”
এদিকে, সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ২০২৬ লোকসভায় প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় পাশ হয়নি। ভোটাভুটিতে বিলটির পক্ষে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট পড়ে।
বিলটি পাশ না হওয়ায় লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় কক্ষই মুলতবি করা হয়। কেন্দ্র জানিয়েছে, নারী সংরক্ষণ, ডিলিমিটেশন এবং লোকসভা আসন বৃদ্ধি—এই তিনটি বিষয় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত হওয়ায় আপাতত এগুলি নিয়ে আর ভোটাভুটি করা হবে না।



















