News Flash

  • Home
  • দেশ
  • সংস্কৃতি রক্ষা দান নয়, সরকারের দায়িত্ব: হিমন্ত বিশ্ব শর্মা
Image

সংস্কৃতি রক্ষা দান নয়, সরকারের দায়িত্ব: হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

গুয়াহাটি, ২০ মার্চ: অসমের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা সরকারের কাছে দান বা অনুগ্রহের বিষয় নয়, বরং এটি একটি দায়িত্ব— শুক্রবার এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ করা এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অসমের সাংস্কৃতিক পরিচয় তার উৎসব, প্রার্থনা এবং সেই সব মানুষের মধ্যে বেঁচে আছে, যাঁরা এই ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছেন।

হিমন্ত লিখেছেন, “আমাদের সংস্কৃতি কোনও স্লোগান নয়। এটি আমাদের উৎসব, প্রার্থনা এবং মানুষের জীবনযাপনের মধ্যেই বেঁচে আছে।” একইসঙ্গে তিনি জানান, যে সব সম্প্রদায় এই ঐতিহ্যকে লালন করছে, তাদের পাশে দাঁড়ানো সরকার বরাবরই নিজের কর্তব্য বলে মনে করেছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর কথায়, রাজ্যের প্রতিটি রাস কমিটিকে রাস উৎসব আয়োজনের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এই উৎসব অসমে গভীর সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বহন করে।

এছাড়াও, ৮ হাজারেরও বেশি পুজো কমিটিকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর ফলে ধর্মীয় উৎসবগুলির আয়োজন আরও সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব হবে বলে সরকারের আশা।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ৬২০ জন উদাসীন ভকতকে প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আধ্যাত্মিক পরম্পরা ও সমাজভিত্তিক রীতিনীতি ধরে রাখতে তাঁদের ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা স্পষ্ট করে বলেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন অসম সরকার রাজ্যের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা ও প্রসারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর কথায়, “আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের দায়িত্ব।” আগামী দিনেও এই ধরনের উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন রাজ্য সরকার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করা এবং তৃণমূল স্তরে ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠনগুলিকে সহায়তা দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে বিজেপি উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং জনসংযোগ— এই তিনটিকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রচার কৌশল সাজাচ্ছে। অবকাঠামো, আইনশৃঙ্খলা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে আর্থিক সহায়তার মতো বিষয়কে সামনে রেখেই দলটি ভোটারদের কাছে পৌঁছতে চাইছে।

Releated Posts

‘এই সরকারকে সরানোর সময় এসেছে’, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর সরব রাহুল গান্ধী

নয়াদিল্লি, ২৫ জুলাই (আইএএনএস): কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ছাত্র আন্দোলনের বড় জয় বলে অভিহিত করে কংগ্রেস নেতা…

ByByNews Desk Jul 25, 2026

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ‘গণতন্ত্রের জয়’, বললেন সোনম ওয়াংচুক

নয়াদিল্লি, ২৫ জুলাই (আইএএনএস): কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর শিক্ষাবিদ, উদ্ভাবক ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক একে “গণতন্ত্রের…

ByByNews Desk Jul 25, 2026

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে ‘গণতন্ত্রের জয়’ দাবি সিজেপির, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

নয়াদিল্লি, ২৫ জুলাই (আইএএনএস): কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর এটিকে “গণতন্ত্রের জয়” বলে দাবি করেছে ককরোচ জনতা…

ByByNews Desk Jul 25, 2026

কলকাতায় সিজেপি-বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর; আন্দোলনে দুষ্কৃতীদের অনুপ্রবেশের দাবি পুলিশের

কলকাতা, ২৫ জুলাই (আইএএনএস): নিট (NEET) প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং বিভিন্ন বামপন্থী দলের…

ByByNews Desk Jul 25, 2026
Scroll to Top