News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • সঠিক জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে টিআরএলএম ও জিআরএস -কে সমীক্ষার নির্দেশ বিদ্যুৎ মন্ত্রীর
Image

সঠিক জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে টিআরএলএম ও জিআরএস -কে সমীক্ষার নির্দেশ বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

আগরতলা, ৮ অগাস্ট : পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ আজ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সাধারণ সভায় যোগ দিয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা করেন।

মন্ত্রী জানান, এদিনের সভায় এ পর্যন্ত গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের সভা জেলার উন্নয়নে গতি আনবে এবং সরকারি দপ্তরগুলির কার্যক্রমে নতুন উদ্যম যোগাবে।

মন্ত্রী আরও জানান, সাধারণত জেলা পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। এছাড়াও জেলা পরিষদের সদস্য, পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান, এবং আমন্ত্রিত বিধায়করা উপস্থিত থাকেন।

তিনি বলেন আজকের সভায় কৃষি, সড়ক ও সেতু (PWD), স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ, সমাজশিক্ষা সহ একাধিক দপ্তরের কাজ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতিটি বিভাগের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রতি তিন মাস অন্তর এই সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে মন্ত্রীরা সভার সভাপতিত্ব করেন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সভা।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে তিন ধরনের সরকার রয়েছে—কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও গ্রামীণ সরকার। এর মধ্যে জেলা পরিষদ গ্রামীণ সরকারের মন্ত্রিসভা হিসেবে কাজ করেএবং এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যে অর্থ বরাদ্দ করি, তা টিটিএএডিসি, জেলা পরিষদ ও কর্পোরেশনগুলির মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয় এবং তারা তা বাস্তবায়ন করে। এটি সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।

সভায় বিদ্যুৎমন্ত্রী জানান, পশ্চিম ত্রিপুরার প্রায় ৯৪ শতাংশ পরিবারের ঘরে পানীয় জলের সংযোগ রয়েছে। তিনি ত্রিপুরা গ্রামীণ জীবিকা মিশন (TRLM) এবং গ্রামীণ সম্পদ সহায়ক (GRS) দের নির্দেশ দেন, যেন একটি সমীক্ষা পরিচালনা করে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়—কোন কোন পরিবারের জল সংযোগ আছে এবং প্রকৃতপক্ষে জল পাচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেপ্টেম্বর ০৮ এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর (PM Surya Ghar) প্রকল্পের আওতায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন এবং স্মার্ট মিটার চালু করার। এর ফলে আমরা প্রকৃতিকে সুরক্ষা দিতে পারব, বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে এবং বিদ্যুৎ খরচের লোড মূল্যায়ন করাও সহজ হবে।

মন্ত্রী আরও জানান যে, পি এম কুসুম প্রকল্পের অধীনে সারা রাজ্যে দশ হাজার টি জল সেচ সুবিধা স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ইতিমধ্যে ৫,২০০ টি স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি গুলির কাজ চলছে। পশ্চিম জেলায় ১,১১৬ জন কৃষক জল সেচ সুবিধা পেয়েছেন এবং আরও ৩০০ জন কৃষক পাবেন এবং যার কাজও চলছে।

Releated Posts

গান্ধীজয়ন্তীতে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা নিবেদন রাজ্যপালের

আগরতলা, ২ অক্টোবর: জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হয় আগরতলায়।…

ByByReshmi Debnath Oct 2, 2026

এমবিবি বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি ও উবার অটো পরিষেবায় বাধা দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

আগরতলা, ১ অক্টোবর: মহারাজা বীর বিক্রম (এমবিবি) বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি এবং অ্যাপ-ভিত্তিক উবের অটো পরিষেবায় বাধা দেওয়ার অভিযোগে…

ByByReshmi Debnath Oct 1, 2026

রাজ্য সরকার ছাত্র যুবাদের মেধা ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনাকে উন্নয়নমূলক কাজে লাগাতে চাইছে: মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১ অক্টোবর: ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হবে আরও বেশি প্রযুক্তি নির্ভর। রাজ্যের ছাত্র যুবাদের মধ্যে মেধার কোন…

ByByReshmi Debnath Oct 1, 2026

পুর নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক

আগরতলা, ১ অক্টোবর: আসন্ন পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক করল…

ByByTaniya Chakraborty Oct 1, 2026
Scroll to Top