ক্যানবেরা, ২ অক্টোবর (আইএএনএস): মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভারতীয় দূতাবাস ও হাইকমিশনগুলিতে গান্ধী জয়ন্তী পালন করা হয়। বিভিন্ন দেশে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পাশাপাশি তাঁর সত্য, অহিংসা ও শান্তির চিরন্তন আদর্শ স্মরণ করা হয়।
গান্ধী জয়ন্তী এবং আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় গ্লিব পার্কে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে ভারতীয় হাইকমিশন। ভারতীয় হাইকমিশনের এক্স পোস্ট অনুযায়ী, হাইকমিশনার নাগেশ সিংহের সঙ্গে মিশনের আধিকারিক ও কর্মী, ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জাপানের টোকিওতেও মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন জাপানে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত নগমা মালিক। এডোগাওয়া ওয়ার্ডের আধিকারিক এবং ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে গান্ধীর জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক স্মরণ করা হয়।
টোকিওর ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাষ্ট্রদূত মালিক গান্ধীর ‘তাবিজ’ বা পথনির্দেশক নীতির কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া, পরিচ্ছন্নতা, সেবা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের প্রতীক হিসেবে গান্ধীর হেঁটে চলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
নিউজিল্যান্ডেও ভারতীয় হাইকমিশনার মুআনপুই সাইয়াওই-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তাঁর জীবন, শিক্ষা এবং বর্তমান বিশ্বে তাঁর আদর্শের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কম্বোডিয়াতেও ভারতীয় রাষ্ট্রদূত ভানলালভানা বাওইটলুং, দূতাবাসের আধিকারিক এবং প্রবাসী ভারতীয়রা মহাত্মা গান্ধীর আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। সেখানে তাঁর শান্তি, সত্য ও অহিংসার আদর্শ স্মরণ করা হয়।
এদিকে ভারতে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মে-এলিন স্টেনার সাবরমতী আশ্রমে তাঁর সফরের কথা স্মরণ করেন। এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, সাবরমতী আশ্রমে তাঁর সফর ছিল গভীরভাবে অনুপ্রেরণাদায়ক। সত্য, অহিংসা ও শান্তির মূল্যবোধ নরওয়েতেও গুরুত্ব পায় এবং গান্ধীর বার্তা আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে শুক্রবার মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সত্য, অহিংসা, সরলতা এবং স্বদেশির প্রতি গান্ধীর আদর্শের কথা স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাপুর চিরন্তন বার্তা দেশকে আরও উন্নত সমাজ এবং বিকশিত ভারত গঠনের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, বাপুর চিরন্তন বার্তা আমাদের আরও উন্নত সমাজ এবং বিকশিত ভারতের পথে পথ দেখিয়ে যাক।



















