নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ৭ জুলাই: রাজ্যের দুই তরুণ তুর্কি শিক্ষক, সাতনালা দ্বাদশের অজন্ত রায় ও পিএম চুড়াইবাড়ি দ্বাদশের দেবাশিস দাসের সামার হ্যাপিনেস প্রোগ্রামের অভূতপূর্ব সাফল্যের আরো এক নজির লক্ষ্য করা গেল আজ। এদিন রথযাত্রার পুণ্যদিনে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের রোগীদের মধ্যে ফল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় । শ্রী রায় ও শ্রী দাস, নিরন্তর রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই ধরনের নজিরবিহীন কর্মসূচী চালিয়ে যাচ্ছেন।
আজ ফল বিতরণ কর্মসূচীর প্রধান অতিথি ছিলেন ধর্মনগর জেলা প্রেসক্লাবের সম্পাদক পান্না ঘোষ, সম্মানিত অতিথি ছিলেন কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজা নাগ । মৌসুমী ফল সহ আরো নানান ফল রোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠান সম্পর্কে দেবাশিস দাস ও অজন্ত রায় জানালেন, সামার হ্যাপিনেস প্রোগ্রাম একটি অনন্য কর্মসূচি, এবং ভবিষ্যতে আরো এমন নানাবিধ কর্মসূচির ভিতর দিয়ে সমাজের পাশে থাকবেন উনারা। রাজ্যের সকল শিক্ষক যারাই যোগাযোগ করছেন তাদের সকলের সিদ্ধান্তক্রমে আজ সামার হ্যাপিনেস প্রোগ্রাম একটি সংগঠনে পরিণত হয়, এবং এই সংগঠনের নাম, “ টিচার্স ইউনাইটেড ফর সোশ্যাল সার্ভিস” বা টি ইউ এস এস।
রাজ্য ও বহিঃরাজ্যের যেকোনো জায়গায় শিক্ষকরা একত্রিত হয়ে সমাজের জন্য কাজ করতে চাইলে উনারা যোগাযোগ করবেন এবং উনারা টিইউএসএসের হয়ে কাজ করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে আজ উপস্থিত ছিলেন অজন্ত রায়, অমৃতা সিনহা, দেবাশিস দাস, মেক্সওয়েল অলিভার দেবনাথ, রাজেশ দাস, কৃষ্ণেন্দু অধিকারি, সৌরভ মজুমদার, শিবশংকর দেব সহ আরো অনেক শিক্ষক শিক্ষিকারা।
রাজেশ দাস দৃঢ় আত্মপ্রত্যয়ের সাথে জানিয়েছেন টিইউএসএস এর ধারণা সম্পূর্ণ নূতন। এটা একটা মানববন্ধন। আগামীদিনে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের কর্মসূচী নিয়ে উনারা এগিয়ে যাবেন এবং এই কাজে উনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।



















