গুয়াহাটি, ৪ এপ্রিল (হি.স.) : প্রতিবারের মতো এবারও রঙালি বিহুর বিশেষ আয়োজন করেছে ব্যতিক্ৰম মাসডো। ব্যতিক্ৰম মাসডো এবার নবম প্রাক-বিহু পালন করবে পাঞ্জাবাড়িতে অবস্থিত শ্রীমন্ত শংকরদেব কলাক্ষেত্ৰে শ্ৰীশ্ৰী মাধবদেব আন্তর্জাতিক মিলনায়তনে আগামী ৬ এপ্ৰিল বৃহস্পতিবার সন্ধে পাঁচটা থেকে শুরু হবে প্ৰাক-বিহুর অনুষ্ঠান।
ওই অনুষ্ঠান উদযাপনে সহযোগিতা করছে বহুমুখি প্ৰতিভা সংস্থা, অসম রাজ্য এইডস নিয়ন্ত্ৰণ সমিতি। প্ৰাক-বিহু উদযাপনের বিশেষ আকৰ্ষণ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী চন্দ্ৰিমা ভট্টাচাৰ্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বিশিষ্ট অভিনেত্ৰী চেতনা দাস, লেখক অধ্যাপক ড. উষারঞ্জন ভট্টাচাৰ্য, কবি সঞ্জয় চক্ৰবৰ্তী, শিল্পী কিশোর দাস প্রমুখ।
এ সম্পর্কে ব্যতিক্ৰম মাসডোর সভাপতি ড. সৌমেন ভারতীয়া জানান, ‘বিহু আমাদের রাজ্যের প্ৰধান উৎসব। বসন্তের আগমন ঘটলে সমগ্ৰ অসমবাসী বিহু উৎসব পালন করতে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন। আমরা বিহু উদযাপন করে এই আনন্দের অংশীদার হতে চাই।’
সৌমেন বলেন, গত আট বছর ধরে ব্যতিক্ৰম পরিবার প্ৰাক-বিহু উদযাপন করে আসছে। ২০১৫ সালে গায়ক সীমান্ত শেখরের হত ধরে শুরু হয়েছিল প্ৰাক-বিহুর প্রথম অনুষ্ঠান। তার পর যথাক্রমে দীক্ষু শৰ্মা, বৰ্ষারানি বিষয়া, সুবাসনা দত্ত প্রমুখ বিশিষ্ট শিল্পীবৃন্দ প্রাক-বিহুর অনুষ্ঠানে অংশগ্ৰহণ করে কার্যসূচির গরিমা বর্ধিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, প্ৰাক-বিহুর অনুষ্ঠানে কেবল অসমের শিল্পীরা নন, বাংলাদেশের প্রথমসারির সাংস্কৃতিক দল, বরাক উপত্যকার শিল্পী এবং কলকাতার বিখ্যাত গায়িকা লোপা মুদ্ৰা মিত্ৰও বিগতদিনে প্ৰাক-বিহুর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন৷ এবার ব্যতিক্ৰম মাসডো-র উদ্যোগে প্ৰাক-বিহু উদযাপন নবম বছরে পদার্পণ করেছে।
ড. সৌমেন বলেন, এবার ২০২৩ সালের প্রাক-বিহুর অনুষ্ঠানে কলকাতায় কৰ্মরত চন্দ্ৰিমা ভট্টাচাৰ্য বিশেষ আকৰ্ষণ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। চন্দ্ৰিমা ভট্টাচাৰ্য ছাড়াও ‘রংডালি সাংস্কৃতিক সংস্থা’র সদস্যরা জেং বিহু পরিবেশন করবেন। এছাড়া সঞ্জিতা রায়, টিপি মুখাৰ্জি, রাজকুমার দাস, মিন্টু রৌদ্ৰা, রাজীব কর, মধুপৰ্ণ বণিক কর প্রমুখ শিল্পী নাচ-গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠেয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। অনুষ্ঠানে সকলের প্রবেশ মুক্ত রাখা হয়েছে, জানান ব্যতিক্ৰম মাসডোর সভাপতি ড. সৌমেন ভারতীয়া।
এদিকে, গায়িকা চন্দ্ৰিমা ভট্টাচাৰ্য বলেন, ‘বহু দিন পর বিহুর আবহে গুয়াহাটিতে প্ৰাক-বিহু অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করায় আমি ব্যতিক্ৰম মাসডোর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি ড. ভূপেন হাজরিকা, জয়ন্ত হাজরিকা, প্ৰতিমা বরুয়া, সলিল চৌধুরী, শচীন দেববৰ্মণ, লতা মঙ্গেশকরের গান অনুষ্ঠানে পরিবেশন করব বলে ঠিক করেছি।’



















