নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ সেপ্ঢেম্বর৷৷কমলপুর মহকুমার অন্তর্গত দুর্গা চৌমুহনী প’ায়েত সমিতি ও বিএসি’র এক সাধারণ সভায় শনিবার বর্তমান অর্থবছরে বিভিন্ন দপ্তরের উন্নয়নমূলক কাজের পর্যালোচনা করেন খাদ্য ও জনসংভরণ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব৷ সভায় উপস্থিত ছিলেন ধলাই জিলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি অনাদি সরকার, বিএসি চেয়ারম্যান কুমার হালাম, প’ায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান তাপস পাল, প’ায়েত সমিতির সদস্য দীপ্তি দেব রক্ষিত, সৌমিত্র গোপ, বিডিও অমরেশ বর্মন, প’ায়েত সম্পসারণ আধিকারিক অরজিত দেববর্মা সহ ২৩টি প’ায়েত ও ৬টি এডিসি ভিলেজের প্রধান, উপপ্রধান এবং বিভিন্ন দপ্তরের জেলা, মহকুমা ও ব্লক স্তরের আধিকারিকগণ৷
সভার শুরুতে ব্লকের বিডিও অমরেশ বর্মন বর্তমান অর্থবর্ষে এপ্রিল মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত রূপায়িত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজের তথ্য তুলে ধরেন৷ বিডিও বলেন, রেগা প্রকল্পে আগস্ট মাস পর্যন্ত গড়ে ৪৩.২৯ দিন কাজ হয়েছে৷ এতে ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৫৬ শ্রমদিবস সৃষ্টি হয়েছে৷ ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা৷ স্বচ্ছ ভারত মিশন প্রকল্পে বর্তমান অর্থবছরে ব্লক এলাকায় ১,১৪১টি টয়লেট নির্মাণ হয়েছে৷ প্রতিটি টয়লেট পিছু ১২,০০০ টাকা করে ব্যয় হয়েছে৷ দুর্গা চৌমুহনী ব্লক এলাকায় ২০১৮-১৯, ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ এর আগস্ট মাস পর্যন্ত ১৩,০৭৫টি টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি৷ এছাড়া এই প্রকল্পের অন্তর্গত কমিউনিটি স্যানিটারি কমপ্লে’ এর অর্থে মানিকভাণ্ডারবাজার, সাইকারবাড়ি ও শ্রীরামপুরে তিনটি কমিউনিটি স্যানিটারি কমপ্লে’ তৈরি করা হয়েছে৷ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) প্রকল্পে প্রতিটি প’ায়েতকে স্ব স্ব প’ায়েত এলাকার উন্নয়নে ২০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে৷ খাদ্যমন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব উপস্থিত প্রধান উপপ্রধানদের সঙ্গে মত বিনিময়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প’ায়েত এলাকাগুলিতে সড়ক যোগাযোগ, পানীয়জলের ব্যবস্থা, বিদ্যতায়নের কাজ, ক’ষি জমিতে জলসেচ ইত্যাদি বিষয়ে অবগত হন৷
সভায় খাদ্যমন্ত্রী সময়ের কাজ সময়ে শেষ করা এবং নিয়মিত এলাকা পরিদর্শনের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক কাজের গতিকে ত্বরান্বিত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন৷ তিনি পানীয়জল, বিদ্যৎ, জলসম্পদ দপ্তরের নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাবার পরামর্শ দেন৷ তিনি বলেন, এক দপ্তরের জন্য যেন আর এক দপ্তরের কাজ আটকে না থাকে৷ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (গ্রামীণ) ঘর বন্টনে প’ায়েতের সিদ্ধান্তকে সর্বোচ্চ মান্যতা দেওয়ার জন্য তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন৷ এইদিনের সভায় ক’ষি ও ক’ষক কল্যাণ, গ্রামোন্নয়ন, মৎস্য, বনদপ্তরের আধিকারিকগণ স্ব স্ব দপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তথ্য তুলে ধরেন৷ সভার সভাপতি দুর্গা চৌমুহনী প’ায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সম্পা দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর স্বপের মডেল ত্রিপুরা গড়তে মডেল প’ায়েত ও মডেল ব্লক নির্মাণে আধিকারিকদের এগিয়ে আসতে হবে৷

