নয়াদিল্লি, ৩১ ডিসেম্বর (হি.স.): অগাস্টাওয়েস্টল্যান্ড চপার কেলেঙ্কারি নিয়ে গান্ধী পরিবারকে তুলোধনা করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ | সোমবার একের পর এক ট্যুইটারে অগাস্টাওয়েস্টল্যান্ড মামলায় অভিযুক্ত মিডলম্যান ক্রিশ্চিয়ান মিচেলের প্রসঙ্গ তুলে গান্ধী পরিবারকে আক্রমণ করেন অমিত শাহ।
দু’দিন আগেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র তরফে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টকে জানানো হয়েছিল, জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী তথা ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর নাম নিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ান মিচেল। পরোক্ষে উল্লেখ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর কথাও। যদিও, ঠিক কীসের প্রেক্ষিতে সোনিয়া বা রাহুলের নাম নিলেন তা অবশ্য আদালতে জানায়নি ইডি। সোমবার সেই প্রসঙ্গ তুলেই গান্ধী পরিবারকে তুলোধনা করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ | এদিন একের পর এক ট্যুইট করে কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন তিনি| কখনও লেখেন, কংগ্রেসের একেবারে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গে মাইকেলের ‘বন্ধুত্ব’ গভীর, ‘সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ’ । আবার লেখেন, অগাস্টাওয়েস্টল্যান্ড মামলার গতিপ্রকৃতি, ক্রিশ্চিয়ান মাইকেলের এসওএস। কেউ জানেন কি কেন ক্রিশ্চিয়ান মাইকেল শ্রীমতী গান্ধী সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের বিস্তারিত তথ্য তাঁর আইনজীবীকে দিয়েছেন? তিনি কি সেগুলি খোদ শ্রীমতী গান্ধীকে পাঠাতে চেয়েছেন? কেন?
অমিত শাহ এও লেখেন, মাইকেলের আইনজীবী নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তাঁর মক্কেল সত্যিই তাঁকে কাগজপত্র পাচার করেছেন এবং তিনি ভেবেছিলেন, ওগুলি ওষুধের তালিকা। সনিয়া গাঁধী, রাহুল গাঁধীর নাম না করে বিজেপি সভাপতি মন্তব্য করেছেন, আমরা ঝান্ডু বাম, টাইগার বাম, ব্যথা-বেদনা উপসমের এসব ওষুধের নাম শুনেছি, কিন্তু কী সেই ‘পরিবার মলম’ যা প্রত্যেক মিডলম্যানই চায়! যা-ই হোক না কেন, বারবার বলতে হবে মাইকেলের আইনজীবীর কংগ্রেসি পরিচিতির কথা। তাঁর তথাকথিত বহিষ্কার একটা লোকদেখানো ব্যাপার। তিনি এখনও মাইকেল ও গান্ধী পরিবারের যোগসূত্র।বিজেপি সভাপতির দাবি, জাতীয় স্বার্থেই মাইকেলের আইনজীবীর ২০০৮ সালের সেইসব নথির ব্যাপারে সব জানানো উচিত যাতে মিসেস গান্ধীর প্রসঙ্গ আছে। ঘটনা হল, মাইকেলের সঙ্গে একটি পরিবারের সখ্য সময়ের পরীক্ষা পেরিয়ে টিকে আছে, তা খুব গভীর।
প্রসঙ্গত, মাইকেলের কৌঁসুলি হয়ে আদালতে দাঁড়ানোর পর কংগ্রেস আলজো কে জোসেফ নামে দলের যুবশাখার ওই পদাধিকারীকে বহিষ্কার করে।


















