Posts of - September 23, 2018

রেওয়াড়ি গণধর্ষণকাণ্ডের মূল দুই অভিযুক্ত গ্রেফতার
চন্ডীগড়, ২৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.): রেওয়াড়ি গণধর্ষণকাণ্ডের মূল দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ এদের মধ্যে রয়েছে এক ভারতীয় সেনাও৷ সেনাকর্মী পঙ্কজ এবং মণীশকে গ্রেফতার করেছে হরিয়ানাপুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম৷ নিশু ও আরও ২ অভিযুক্তকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ৷ এবার ধরা পড়ল বাকি দুজনও৷ প্রসঙ্গত, গত ১৬ সেপ্টেম্বর পুলিশের জালে ধরা পড়ে রেওয়াড়ি গণধর্ষণ কাণ্ডের এই মাস্টারমাইন্ড৷ নিশু ফোগাত নামে ওই অভিযুক্ত পরিকল্পনা করেই এই নক্ক্যারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশের মত৷ পুলিশ সুপার নাজনিন ভাসিন জানান, পরিকল্পনা করেই এই কাণ্ড ঘটায় নিশু৷ তারপর চিকিৎসককে ডেকে এনে নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানতে চায়৷ তবে তখনও পর্যন্ত অধরা ছিল অভিযুক্তসেনাকর্মী৷ দ্বিতীয় বর্ষের কলেজ ছাত্রী কোচিং সেন্টারে যাওয়ার সময় তিনজন ব্যক্তি তাকে অপহরণ করে তাকে একটি মাঠের মধ্যে তুলে নিয়ে যায়৷ সেখানে তাকে একের পর এক ধর্ষণ করে তারা৷ মাঠে আগে থেকেই আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিল, তারাও এসে ধর্ষণ করে সিবিএসই-র ওই টপার কলেজ পড়ুয়াকে৷ নির্যাতিতার গ্রামেরই বাসিন্দারা তাকে ধর্ষণ করে এবং মুখ না খোলার হুমকি দেয় বলেপুলিশের কাছে জানিয়েছিল সে৷ রেওয়াড়ি গণধর্ষণকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতারের আশ্বাস আগেই দেওয়া হয়েছিল সেনার পক্ষ থেকে৷ গঠন করা হয়েছিল সিট৷ যারা অভিযুক্তদের খোঁজ দিতে পারবে তাদেরএকলক্ষ টাকা পুরস্কারের কথাও ঘোষণা করা হয়৷
রাফাল চুক্তি স্বচ্ছ, তা বাতিল করার প্রশ্নই ওঠে না : অরুণ জেটলি
নয়াদিল্লি, ২৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : রাফাল চুক্তি কোনও ভাবে বাতিল করা হবে না। রবিবার স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। স্বচ্ছতার সঙ্গেই চুক্তিটি করা হয়েছে। ইউপিএ-র আমলের তুলনায়সস্তায় বিমানগুলি কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেন, রাফাল চুক্তি স্বচ্ছ। তাই চুক্তি বাতিল করার প্রশ্ন নেই। বর্তমান রাফাল বিমানগুলি কংগ্রেস জমানার ইউপিএ সরকারের আমলে করে যাওয়া অত্যন্ত সস্তা। কেগের কাছে আমরাযাবতীয় তথ্য এবং নথি পেশ করব। নিরাপত্তার কারণে বিমানগুলির দাম বলা যাবে না। ২০০৭ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে রাফাল বিমানগুলি ২০শতাংশ সস্তায় কেনা হয়েছে। এই সমস্ত পরিসংখ্যান কেগেরসামনে তুলে ধরা হয়েছে। আমরা কেগ রিপোর্টে অপেক্ষায় রয়েছে। জেট শ্রেণীর রাফাল যুদ্ধবিমানগুলি ভারতে আসছে। ভারতীয় প্রতিরক্ষার জন্য বিমানগুলি দরকার। স্বচ্ছতার নিরিখে মোদী সরকারের ধারেকাছে কেউ নেই। অন্যদিকে ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ইউপিএ সরকার অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। অভিযোগ করলেই দোষ প্রমাণিত হয় না।



























