নিজস্ব প্রতিনিধি, উদয়পুর, ৭ আগস্ট৷৷ সামাজিক রীতি নিয়ম ও পণ বাবদ সমস্ত দাবী মেনেই বছর দুয়েক আগে অমরপুর মহকুমার থাকছড়া
এলাকার মরনী দাস তার মেয়ে আলো রানী দাসের বিয়ে দেয় উদয়পুর মহারানীর সুনীল সরকারের ছেলে লিটন সরকারের সঙ্গে৷ মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার কিছুদিন যেতে না যেতেই শুরু হয় অশান্তি৷ প্রতিনিয়ত আলোরানীর উপর নির্যাতন ও মানসিক অত্যাচার চালানোর অভিযোগ করে মা মরনী দাস জামাতা লিটন সরকার ও শ্বশুর-শাশুড়ীর বিরুদ্ধে৷ বহুবার মেয়ের উপর মারধোর করেছে বলে অভিযোগ করেন৷ ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আলো রানী তার দৈনিক পড়নের একটি ব্লাউজের মূল্য স্বামী ও শশুড় এর কাছে চাওয়াকে কেন্দ্র করে রবিবার রাত্রী বেলায় স্বামী লিটন সরকার মদমত্ত অবস্থায় বেধরক মারধোর করে৷ এক সময় মহারানী হাসপাতালেও ভর্তি করাতে হয় আলোরানীকে৷ খবর দেওয়া পর্যন্ত মনে করেনি লিটন এর পরিবার আলোরানীর বাপের বাড়ীতে৷ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কোনো এক ব্যক্তির মোবাইল দিয়ে বাপের বাড়ীতে খবর পৌঁছায়৷ খবর পেয়ে মা মরনী ও ভাই সুভাষ চন্দ্র দাস ছুটে যায় মহারানী হাসপাতালে৷ সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আলোরানীকে নিয়ে যায় গোমতী জেলা হাসপাতালে৷ মা মরনী দাস জানায়, এর আগেও মেয়ে আলোরানীকে মারধোর করার ফলে আগরতলা জিবি হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়৷ বহুবার পঞ্চায়েত সলাশী সভার মাধ্যমে স্বামী ও স্ত্রীর সমস্যার মিমাংশা করা হয়৷ কিন্তু রাত্রী শেষ হতেই পুনরায় নির্যাতন শুরু হয়ে যেত আলোরানীর উপর৷ শুধু স্বামী লিটনই একা নয় শশুড় এবং শাশুড়ীর মদতপুষ্টে লিটন স্ত্রীর উপর নির্যাতন চানানোর অভিযোগ করেন মরনী দাস৷ এদিকে ভাই সুভাষ চন্দ্র দাস ছোট বোনের উপর এই ভাবে অত্যাচারের ঘটনায় উদয়পুর মহিলা থানায় লিটন সরকার ও সুনীল সরকার (শ্বশুর) ও শাশুড়ীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেন৷



















