নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ জুলাই৷৷ ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে রাজ্যেও পালিত হচ্ছে রথযাত্রা৷ রাজধানী আগরতলা শহরের জনগন্নাথ মন্দির, ইসকন মন্দির সহ বিভিন্ন স্থানে রথ বের হয়৷ অগণিত পূণ্যার্থির সমাগম হয় জগন্নাথ বাড়িতে৷
এদিকে, দেশের অন্যান্য স্থানের মতো তেলিয়ামুড়া মহকুমা বিভিন্ন এলাকার যথাযোগ্য মর্যাদায় রথের দড়িতে টানল শত শত মানুষ৷ তবে তেলিয়ামুড়া মহকুমা অতি অতিহ্যবাহী আশ্রম শ্রী চৈতন্য দেবের প্রাঙ্গন তেকে রথটি বের হয়৷ ভক্তদের সমাগম ছিল লক্ষনীয়৷ তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় কিন্ত এ বছর ভীর ছিল তুলনামূলক ভাবে বেশি৷ তবে কঁচিকাচা শিশু সহ বৃদ্ধবৃদ্ধের ভীর মূলক বেশি৷ এদিকে গৌরাঙ্গটিলা থেকে অতি প্রাচীন রথ যাত্রা বের হয়৷ অন্যদিকে করইলং, চাকমা ঘাট, সহ কল্যানপুরে ও রথ যাত্রা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়৷
এদিকে, মেলাঘরে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উপলক্ষ্যে ৮ দিন ব্যাপী মেলা ও সাংসৃকতিক উৎসব গতকাল মেলাঘর জগন্নাথবাড়ী প্রাঙ্গণস্থিত রবীন্দ্র মুক্ত মঞ্চে শুরু হয়েছে৷ সন্ধ্যায় তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তর এবং মেলাঘর পুর পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলা ও সাংসৃকতিক উৎসবের উদ্বোধন করেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র ডঃ প্রফুল্লজিৎ সিনহা৷ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বিধায়ক শ্যামল চক্রবর্তী ও তপন চন্দ্র দাস, তথ্য ও সংসৃকতি দপ্তরের অধিকর্তা মৃনাল কান্তি নাথ, সম্মানিত অতিথি হিসাবে আগরতলা পুর নিগম এর মেয়র পারিষদ বিশ্বনাথ সাহা, সোনামুড়ার মহকুমা শাসক সুমিত লোধ সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন৷ সভাপতিত্ব করেন মেলাঘর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন সুরেশ দাস৷ অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের ভাষণে মেয়র ড প্রফুল্লজিৎ সিনহা বলেন, মেলা ও সাংসৃকতিক উৎসব মানুষের মেলবন্ধন, একতা ও সম্প্রীতিকে সুদৃঢ় করে৷ বিধায়ক তপন চন্দ্র দাস ও শ্যামল চক্রবর্তী এই মেলা ও উৎসবের গুরুত্বের কথা উল্লেক করেন৷ তাঁরা রাজ্যের শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশকে আরো সুদৃঢ় করতে সকল অংশের মানুষকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান৷ স্বাগত ভাষণ দেন মেলাঘর পুর পরিষদের কার্যনির্বাহী আধিকারিক দীপরাজ রায়৷ উল্লেখ্য, ৮ দিন ব্যাপী এই মেলা ও সাংসৃকতিক উৎসব চলবে আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত৷ গতকাল সন্ধ্যায় এলাকার শিল্পীগণ রবীন্দ্র নজরুল সংগীত ও নৃত্য, বিভিন্ন লোকসংগীত এবং ককবরক লোকসংগীত ও লোকনৃত্য পরিবেশন করেন৷

















