নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩১ ডিসেম্বর৷৷ দুর্নীতির আতঁুর ঘরে পরিণত খাসিয়ামঙ্গলাস্থিত তেলিয়ামুড়া সরকারী মহাবিদ্যালয়টি৷ কলেজে টেন্ডার হবে, অথচ টেন্ডার বাক্স নেই৷ কলেজের একাংশ সরকারী কর্মীরা বলছে টেন্ডার বাক্স নেই৷ আর কলেজের এক বড় দিদিমণি জানালেন টেন্ডার বাক্স সেন্টারে আছে৷ টেন্ডারদাতারা টেন্ডার দিতে হবে কলেজের রিসিভ সেকশনে৷ মূলত টেন্ডারের গোপনীয়তা বজায় থাকলনা৷
কলেজের একাংশ কর্মীদের অভিযোগ কলেজের কাজকর্ম চলে কলেজ অধ্যক্ষের মর্জিমাফিকভাবে৷ গত সোমবার দিনেও এক টেন্ডারদাতা কলেজে যায় টেন্ডার জমা দেওয়ার জন্য৷ কিন্তু টেন্ডার বাক্স না পেয়ে রিসিভ সেকশানে জমা দেওয়ার জন্য বলেন কলেজের একাংশ কর্মীরা কলেজ অধ্যক্ষের নির্দেশমূলে৷ যা সম্পূর্ণ অবৈধ৷ নিয়মানুযায়ী টেন্ডার ড্রপ করার কথা টেন্ডার বাক্সে৷ আর টেন্ডার বাক্সটি স্টোরে থাকবে কেন৷ এই কলেজের এক কর্মচারীকে টেন্ডার প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, কলেজ অধ্যক্ষ মৌখিকভাবে জানিয়েছে টেন্ডার রিসিভ সেকশানে জমা দেওয়ার জন্য৷ এমন হলে দরপত্রের গোপনীতা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে৷ অনেকটা কাণ্ডজ্ঞানহীনতার পরিচয় পাওয়া গেল অফিস কর্মীর কাছ থেকে৷
অপরদিকে এই কলেজের এক দিদিমণিকে টেন্ডার প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি হতচকিয়ে গিয়ে জানান, টেন্ডার এক্সটেন করা হয়েছে আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত৷
কলেজ অধ্যক্ষ জানিয়েছেন দিদিমণিকে৷ তবে ওই দিদিমণিকে টেন্ডার বাক্স প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করতেই তিনি আমতা আমতা করে জানান টেন্ডার বাক্স স্টোরে আছে৷ প্রশ্ণ হল স্টোর রুমে টেন্ডার বাস্ক থাকবে কেন? তবে কলেজের রিসিভ সেকশান সূত্রের খবর কলেজে টেন্ডার বাক্স নেই৷ অপর দিকে এই কলেজের একটি বিশেষসূত্র থেকে জানা গেছে, কলেজ অধ্যক্ষ সাহেব প্রতি সপ্তাহে মাত্র ১দিন কলেজে আসেন৷ আর অধ্যক্ষকে তালিম জোগাচ্ছে এই কলেজেরই সুবোধ দেববর্মা নামে এক কর্মী৷ অদ্যক্ষের একগুয়েমি কাজ কর্মের ফলে কলেজের একাংশ কর্মচারীরা ক্ষোব্ধ৷



















