নয়াদিল্লি, ৫ অক্টোবর (আইএএনএস): জিএসটি সংস্কারের পরবর্তী পর্যায়ে করদাতাদের জন্য নিয়ম মেনে চলার প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হবে এবং রিফান্ড ব্যবস্থার উন্নতি ঘটানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে ব্যবসায়ীদের আস্থা বাড়বে এবং তাঁরা বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও উৎসাহিত হবেন। এর মাধ্যমে ‘বিকশিত ভারত’-এর ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের একটি নিবন্ধের উল্লেখ করে মোদি বলেন, নেক্সট-জেন জিএসটি কর ব্যবস্থাকে আরও সরল ও পূর্বানুমানযোগ্য করে তুলছে। এর ফলে ব্যবসা ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি, রাজস্ব শক্তিশালীকরণ এবং নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করছে।
সীতারমণ জানান, নেক্সট-জেন জিএসটি সংস্কারের মাধ্যমে করদাতাদের স্বস্তি এবং অর্থনীতিতে গতি—এই দুই লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা চলছে। পরবর্তী পর্যায়ে রেজিস্ট্রেশন, রিটার্ন, রিফান্ড, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট ব্যবস্থাকে আরও সহজ করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আগামী ৭ অক্টোবর জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের আগে অর্থমন্ত্রী পরবর্তী পর্যায়ের সংস্কার নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেছেন।
এদিকে জিএসটি আইনের অপব্যবহার রোধে কর তদন্তের সময় করদাতাদের গ্রেফতারের ক্ষমতা তুলে নেওয়ার বিষয়টিও আসন্ন জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে আলোচিত হতে পারে বলে এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন।
জিএসটি কাউন্সিলের আইন কমিটি কর আইনকে অপরাধমুক্ত করার বৃহত্তর প্রস্তাবের অংশ হিসেবে এই সুপারিশ করেছে। অনেক ক্ষেত্রে কর না দেওয়ার ঘটনা ইচ্ছাকৃত না হওয়ায় ফৌজদারি ব্যবস্থা প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
বর্তমান জিএসটি ব্যবস্থায় সিজিএসটি আইনের ৬৯ নম্বর ধারায় নির্দিষ্ট গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্ত চলাকালীন কোনও ব্যক্তিকে গ্রেফতারের অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা কমিশনারের রয়েছে। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে সেই ক্ষমতা প্রত্যাহার করা হতে পারে।
তবে ভুয়ো ইনভয়েস, জাল ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট এবং ভুয়ো রিফান্ডের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) সাধারণ ফৌজদারি আইনের আওতায় মামলা চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।



















