নয়াদিল্লি, ১১ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলা উচ্চপর্যায়ের ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসা বিশ্বনেতাদের শুক্রবার স্বাগত জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বার্তা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও জোরদার করে উন্নত ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে সদস্য দেশগুলি।
সম্মেলনকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে আগ্রহের প্রসঙ্গ তুলে ধরে অমিত শাহ জানান, পশ্চিম থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দিকে বিশ্ব অর্থনীতির গতিপথ এবং জিডিপির পরিসংখ্যানে পরিবর্তনের কারণে এবারের ব্রিকস সম্মেলন আন্তর্জাতিক মহলের বিশেষ নজরে রয়েছে। এই সম্মেলনে সদস্য দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও দ্রুত বাড়ানো এবং বিশ্বে যৌথ সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন রাষ্ট্রনেতারা।
এক্স-এ একটি পোস্টে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, “ব্রিকস ২০২৬-এর মঞ্চ প্রস্তুত!” একইসঙ্গে সম্মেলনের আয়োজক স্থান ভারত মণ্ডপমের সাজসজ্জার একটি ভিডিও শেয়ার করেন তিনি।
অমিত শাহ আরও লেখেন, “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত বিশ্বনেতাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছে। আরও শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলা, সহযোগিতা ত্বরান্বিত করা এবং উন্নত বিশ্বের জন্য যৌথ সমৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যে আলোচনা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন তাঁরা। আমরা একসঙ্গে আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ব।”
দুই দিনের এই সম্মেলনে ব্রাজিল, চিন, মিশর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, ইরান, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-সহ মোট ১১টি উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশ অংশ নিচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য এই দেশগুলির নেতারা এক মঞ্চে মিলিত হচ্ছেন।
বর্তমানে ব্রিকস-এর সদস্য ১১টি দেশ হল ব্রাজিল, চিন, মিশর, ইথিওপিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। সম্মিলিতভাবে এই দেশগুলির প্রতিনিধিত্ব বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৯.৫ শতাংশ, বিশ্ব জিডিপির ৪০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের ২৬ শতাংশ।
গত কয়েক বছরে অন্যান্য আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী, বিশেষ করে জি৭-এর তুলনায় ব্রিকস-এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং লাতিন আমেরিকার একাধিক দেশের অন্তর্ভুক্তির ফলে সংগঠনটির সদস্যভিত্তিও সম্প্রসারিত হয়েছে।
























