চেন্নাই, ২৬ জুলাই (আইএএনএস): ২৭তম কার্গিল বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে দেশের জন্য সর্বোচ্চ আত্মবলিদানকারী ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীর জওয়ানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী ও অভিনেতারা। কিংবদন্তি গায়িকা কে এস চিত্রা, অভিনেত্রী খুশবু এবং মালয়ালম অভিনেতা উন্নি মুকুন্দন সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের বার্তায় শহিদ সেনাদের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ইনস্টাগ্রামে কে এস চিত্রা লেখেন, “আজ আমরা ভারতের সেই বীর সন্তানদের স্মরণ করছি, যাঁরা ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে মাতৃভূমি রক্ষার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছিলেন। ‘অপারেশন বিজয়’-এর মাধ্যমে আমাদের সাহসী সেনারা অদম্য মনোবল নিয়ে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি ভূমি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় লড়াই করেছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, “শহিদ বীরদের প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা, যাঁরা তাঁদের সাহস, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমাদের অনুপ্রাণিত করে চলেছেন। তাঁদের বীরত্বগাথা আমরা কখনও ভুলব না। জয় হিন্দ! বন্দে মাতরম!”
অভিনেত্রী খুশবু তাঁর বার্তায় বলেন, “যাঁরা এক মুহূর্তও দ্বিধা না করে দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, যাতে আমরা শান্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার সঙ্গে বাঁচতে পারি, সেই বীর সেনাদের প্রতি আমার স্যালুট। তাঁরা তাঁদের আজকে উৎসর্গ করেছেন আমাদের আগামী দিনের জন্য।”
তিনি আরও লেখেন, “এই দিনে আমি প্রতিটি শহিদকে গভীর কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই। একই সঙ্গে সেই সব বাবা-মা ও পরিবারের প্রতিও প্রণাম, যাঁরা মাতৃভূমির জন্য এমন বীর সন্তানদের গড়ে তুলেছেন। তাঁদের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেম চিরকাল আমাদের জাতির অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। জয় হিন্দ।”
মালয়ালম অভিনেতা উন্নি মুকুন্দনও ইনস্টাগ্রামে শহিদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখেন, “দেশের জন্য নির্ভীকভাবে লড়াই করা আমাদের বীর সেনাদের সাহস, আত্মত্যাগ এবং দেশপ্রেমকে আমরা স্যালুট জানাই।”
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ঐতিহাসিক বিজয়ের স্মৃতিতে প্রতি বছর ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস পালিত হয়। ‘অপারেশন বিজয়’-এর মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনার ‘অপারেশন সাফেদ সাগর’ এবং নৌবাহিনীর পূর্ণ সমর্থনে কার্গিলের কৌশলগত উচ্চভূমিগুলি পুনর্দখল করে শত্রুপক্ষকে পরাজিত করেছিল। এ বছর দেশজুড়ে গর্ব, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে পালিত হচ্ছে কার্গিল বিজয় দিবসের ২৭তম বর্ষ।



















