কলকাতা, ৯ জুন (আইএএনএস): পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মঙ্গলবার একযোগে কলকাতার কালীঘাট ও ক্যামাক স্ট্রিটে তল্লাশি অভিযান চালায়। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী-র বাসভবনের লাগোয়া তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ের পাশাপাশি, দলীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী-র ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসেও অভিযান শুরু করে তদন্তকারীরা।
কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে প্রথমে বাধার মুখে পড়েন সিআইডি আধিকারিকরা। প্রাক্তন তৃণমূল রাজ্যসভার সাংসদ সুভাশীষ চক্রবর্তী, যিনি নিজেকে সাময়িকভাবে ওই কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বলে দাবি করেন, তদন্তকারীদের প্রবেশে আপত্তি জানান।
পরে কলকাতা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) বিশাল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সিআইডি আধিকারিকরা কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং তল্লাশি শুরু করেন।
একই সময়ে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসেও সিআইডি দল পৌঁছলে সেখানে কর্মীদের তরফে প্রাথমিক বাধার সম্মুখীন হতে হয়। পরে স্থানীয় শেক্সপিয়ার সরণি পুলিশ স্টেশন-এর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সিআইডি আধিকারিকরা অফিসে প্রবেশ করে তল্লাশি শুরু করেন।
খবর লেখা পর্যন্ত কালীঘাটের তৃণমূল কার্যালয় এবং ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস— দুই জায়গাতেই সমান্তরালভাবে তল্লাশি ও অনুসন্ধান অভিযান চলছিল।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী শিবিরের জন্য সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ পদ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের স্বাক্ষর নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগের তদন্তে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে দক্ষিণ কলকাতার ভবানী ভবনে সিআইডি দফতরে হাজির হওয়ার কথা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
এই মামলায় তাঁকে সিআইডির তরফে এটি ছিল টানা তৃতীয় নোটিস।
সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে নয়াদিল্লিতে রয়েছেন। সোমবার তাঁরা বিরোধী জোট ভারত-র গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও অংশ নেন।























