জয়পুর, ২০ মে (আইএএনএস): রাজস্থানের জোধপুর থেকে কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর উদ্দেশে রওনা হওয়া একটি বেসরকারি ট্রাভেল সংস্থার বাসে আগুন লেগে বড়সড় দুর্ঘটনা অল্পের জন্য এড়ানো গেল। চালকের উপস্থিত বুদ্ধি ও দ্রুত পদক্ষেপে বাসের ১৬ জন যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়।
মঙ্গলবার রাতে পালি রোডের ডি-মার্টের কাছে এই ঘটনা ঘটে। এমআর ট্রাভেলসের বাসটি ঝালামান্ড এলাকা পেরিয়ে শহরের সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়ার পর হঠাৎই বাসের ইঞ্জিন অংশ থেকে স্ফুলিঙ্গ বেরোতে শুরু করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই বাসে ধোঁয়া এবং আগুন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে চালক দ্রুত বাসটিকে রাস্তার ধারে দাঁড় করিয়ে দেন এবং মুহূর্তের মধ্যেই মূল দরজা দিয়ে সমস্ত যাত্রীকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনেন।
বেশিরভাগ যাত্রী নিজেদের জিনিসপত্র বাঁচাতে পারলেও কয়েকজনের লাগেজ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পরে আগুন দ্রুত গোটা বাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং দমকল পৌঁছানোর আগেই বাসের অধিকাংশ অংশ ভস্মীভূত হয়ে যায়।
বিবেক বিহার থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) দিলীপ খাড়াভ জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও দমকলের দল।
প্রধান দমকল আধিকারিক জলজ ঘাসিয়া জানান, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর বাসনি ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি এবং শাস্ত্রী নগর ফায়ার স্টেশন থেকে একটি দমকল ইঞ্জিন পাঠানো হয়। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। উদ্ধারকাজ চলাকালীন প্রায় ৩০ মিনিট পালি রোডে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
পরে ক্রেনের সাহায্যে পুড়ে যাওয়া বাসটি রাস্তা থেকে সরিয়ে বিবেক বিহার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ইঞ্জিনের তারের কাছে অতিরিক্ত তাপ বা শর্ট সার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আধিকারিকদের মতে, বাসটি ইউরো-৬ শ্রেণির ছিল এবং দেশের অন্য কয়েকটি রাজ্যেও একই ধরনের বাসে ইঞ্জিন অংশে আগুন লাগার ঘটনা সামনে এসেছে।
দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে ঘটনার সঠিক কারণ জানতে বিস্তারিত প্রযুক্তিগত তদন্ত শুরু হয়েছে।



















