সোনামুড়া, ১১ মে : সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপারসন ও ভাইস চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে নগর পঞ্চায়েতের মূল ফটকের সামনে ধর্নায় বসলেন গৌতম বকশী চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার সকাল থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, গৌতম বকশী চৌধুরীর বাড়ি সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েত এলাকায়। তাঁর অভিযোগ, একই এলাকার রেজ্জাক মিয়া নামে এক ব্যক্তির কাছে তাঁর প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার লক্ষ টাকা পাওনা ছিল। ওই টাকা উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য তিনি সামাজিক বিচারের মাধ্যমে নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপারসন ও ভাইস চেয়ারপারসনের সহযোগিতা চেয়েছিলেন।
গৌতমবাবুর দাবি, টাকা উদ্ধার করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সেই টাকা তাঁকে ফেরত দেওয়া হয়নি। বরং নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপারসন ও ভাইস চেয়ারপারসন ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলেই অভিযোগ তোলেন তিনি। এরই প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে নগর পঞ্চায়েতের প্রধান ফটকের সামনে ধর্নায় বসেন তিনি। তাঁকে ঘিরে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায় এলাকায়।
অন্যদিকে, সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপারসন ও ভাইস চেয়ারপারসন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, গৌতম বকশী চৌধুরীকে তাঁর পাওনা টাকা সম্পূর্ণ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সেই সংক্রান্ত স্বাক্ষরিত নথিও নগর প্রশাসনের কাছে রয়েছে।
তাঁদের আরও অভিযোগ, ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে এবং তাঁদের নামে বদনাম করতেই গৌতম বকশী চৌধুরী এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। পাশাপাশি রেজ্জাক মিয়ার কাছ থেকে পাওনা টাকাও অনেক আগেই পরিশোধ করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানান তাঁরা।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধর্নায় বসা গৌতম বকশী চৌধুরীকে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।



















