ওয়াশিংটন, ৩ এপ্রিল (আইএএনএস): যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নে উঠে এসেছে, একাধিক বড়সড় হামলার পরেও ইরান এখনও উল্লেখযোগ্য সামরিক আক্রমণ ক্ষমতা ধরে রেখেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার এক মাস পরেও ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা অক্ষত রয়েছে। পাশাপাশি, তাদের কাছে এখনও হাজার হাজার ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ মজুত আছে, যা দিয়ে যে কোনও সময় বড়সড় হামলা চালানো সম্ভব।
এক গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, “ইরান এখনও গোটা অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর মতো অবস্থায় রয়েছে।”
প্রতিবেদন আরও বলছে, ইরানের কাছে বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্রুজ মিসাইলের বড় ভাণ্ডার রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এই ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস -এর নৌ ইউনিট এখনও প্রায় অর্ধেক সক্ষমতা বজায় রেখেছে। তাদের হাতে শত শত ছোট নৌকা এবং মানববিহীন জলযান রয়েছে।
গোয়েন্দা রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ইরান দীর্ঘদিন ধরে ভূগর্ভস্থ টানেল ও গুহায় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা লুকিয়ে রাখার কৌশল ব্যবহার করছে, যার ফলে সেগুলিকে ধ্বংস করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক অভিযান শেষ করতে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানালেও, গোয়েন্দা মহলের একাংশ এই সময়সীমাকে বাস্তবসম্মত বলে মনে করছে না।
বর্তমানে ইসরায়েল, উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন মিত্র দেশগুলি এবং মার্কিন সেনা ঘাঁটিগুলি নিয়মিতভাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।



















