নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ৭ জুলাই: ঊনকোটি জেলায় ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস ও সিপিএমের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিল সমস্যা তৈরি হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কোন পক্ষই প্রতিপক্ষকে পছন্দের আসন ছেড়ে দিতে নারাজ। শীঘ্রই এসব সমস্যার সমাধান না হলে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস এবং সিপিআইএম ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে বলে ইতিমধ্যে ইঙ্গিত মিলেছে।
গৌরনগর ব্লকে সি পি আই এম কংগ্রেস জোট কি ভেস্তে গেল। সি পি এম নেতা তথা বিভাগীয় সম্পাদক বিশ্বরূপ গোস্বামী এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, কংগ্রেসের সঙ্গে কথাবার্তা বলার সময় কংগ্রেস দল দাবি না মানায় জোট ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, গৌরনগর ব্লকে পঞ্চায়েত সমিতির ১৩ টি আসন রয়েছে।আর গ্রাম পঞ্চায়তের ২১১ টি আসন আছে। তিনি বলেন, আমরা চেয়েছিলাম ৬টিসমিতির আসন এবং গ্রাম পঞ্চায়তের ২০ টি পঞ্চায়েতের প্রতি দুটি করে আসন। কিন্তু এই দাবি কংগ্রেস দল মানছে না। ফলে জোট হচ্ছে না।
২০১৯ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সি পি আই এম দল খুবই খারাপ ফলাফল করেছে। দু-একটি পঞ্চায়েতে দু একটি আসন পেয়েছিল।বিধায়ক বীরজিত সিনহা বলেন, বিগত নির্বাচনে কংগ্রেস দল গৌরনগর সমিতি নির্বাচনে ৫ টি আসন লাভ করে। এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ১০টি পেয়েছিল।
এবারে যেহেতু বামেদের সাথে জোট আছে সেকারনে আমরা বলেছি সমিতির ৫ টি আসন এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি করে আসন কংগ্রেসকে ছেড়ে দে রাজি হয়েছে সিপিএম। তাছাড়া যেসব পঞ্চায়েতে কংগ্রেস দল জয়ী হয়েছে সেসব পঞ্চায়েত বাদ দিয়ে সিপিএমকে প্রার্থী দিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ।যেসব সমিতি আসনে গত বার কংগ্রেস জয়ী হয়েছে এইসব আসনে সিপিআইএম প্রার্থী দিতে পারবে না বলে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই শর্ত মেনে নিলেই সিপিএমের সঙ্গে কংগ্রেসের আসন সমঝোতা হতে পারে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা।
বিধায়ক বীরজিত সিনহা বলেন ,সি পি আই এমের সাংগঠনিক শক্তি নেই যে সব গ্রাম পঞ্চায়তের দিতে পারবে না সিপিআইএম। উল্লেখ্য ২০১৯সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে গৌরনগর ব্লকে কংগ্রেস দল সমিতির পাঁচ টি আসন ও গ্রাম পঞ্চায়ত১০টি দখল করেছিল।গৌরনগরে মোট গ্রাম পঞ্চায়তের ২০টি। আসন্ন ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস ও সিপিএমের মধ্যে আসন সমঝোতা না হলে আখেরে লাভ হবে শাসক দল বিজেপির।



















