বক্সনগর, ১১ নভেম্বর : -দীর্ঘ তিন মাস ধরে বক্সনগর কো অপারেটিভ সার্কেল অফিস বন্ধ। ফলে সমবায় এবং ফেক্স এবং লেন্স পরিচালকদের ভোগান্তির শিকার।
নতুন আর্থিক নীতির পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের গ্রাম, পাহাড়, কিংবা শহরের প্রকৃত উন্নয়নের ভাবনাকে উন্নতর করতে সমবায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। সমবায় কে বেশি করে সমবায় ছাড়া সার্বিক উন্নয়নের আর বিকল্প পথ নেই। তাইতো ত্রিপুরা রাজ্যে ১৯৪৯ সালে ১১ই এপ্রিল সমবায়ের আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। ১৯৫৫ সালের ৭ জানুয়ারি সমবায় আন্দোলনের সাংগঠনিক নেতৃত্বের মাধ্যমে ত্রিপুরা রাজ্যের সমবায় সমিত সংগঠন করা হয় তারপর থেকেই সমবায়ের গুরুত্ব।১৯৮৩ সালের তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী নৃপেন চক্রবর্তীর হাত ধরে ব্যাপক প্রসার ও প্রচার সমবায় সমিত গ্রুপ কোঅপারেটিভ সোসাইটি আত্মপ্রকাশ করেন এবং প্রতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। সমবায় সকলের সাথে, অর্থনৈতিক বিকাশে, এক অনন্য ভূমিকা পালন করে থাকে। বেকার যুবক-যুবতীদের স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে গ্রামেগঞ্জে কোঅপারেটিভ সোসাইটির মাধ্যমে সরকার বদ্ধপরিকর আর্থিক বিকাশের লক্ষ্যে, বক্সনগর সমবায় সমিতির অফিস খোলা হয়েছিল ২০১৩ অক্টোবর।
তৎকালীন সময়ে দুইজন কর্মচারী ছিল বক্সনগর সার্কেল অফিসে। আলেক হোসেন ছিলেন কোপারেটিভ ইনস্পেক্টর তিনি অবসর গ্রহণ করার পর আর একজন স্টাফ ছিল, সে অন্যত্র বদলি হয়ে যায়। তার পরক্ষণেই আবুল হোসেন নামে আরেকজন ইনভেস্টিকেটর দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক হিসেবে যোগদান করেন। উনিও একা দীর্ঘদিন যাবত পরিদর্শকের দায়িত্ব বক্সনগর ব্লক এলাকার সার্কেল অফিসে। ত্রিপুরা রাজ্যে ৮ হাজার ৬০০ একটি কো-অপারেটিভ সোসাইটি অফিস রয়েছে। বক্সনগর এলাকায় দুটি ল্যাম্পস দুটি ফেক্স, তাছাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি,এবং অন্যান্য সমিতি নিয়ে মোট ২২ টি সমবায় সমিতি বর্তমানে রয়েছে। বক্সনগর এলাকা সমবায় সমিতির কার্য পরিচালনার জন্য ব্যাংক নেই ত্রিপুরা স্টেট কোঅপারেটিভ ব্যাংক দেবার জন্য বক্সনগর এর সমবায় সমিতি পরিচালনা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারের নিকট দাবি করে আসলেও এখন পর্যন্ত কোন কোঅপারেটি ব্যাংক নেই, লেনদেন সমস্ত কাজকর্ম সোনামুড়াতে গিয়ে করতে হয়।
তাতে করে সমিতির পরিচালক কমিটির কষ্ট এবং ভোগান্তির শিকার, এখন বর্তমানে আবার প্রায় তিন মাস ধরে বক্সনগর সার্কেল কোঅপারেটিভ অফিস বন্ধ। সমবায় সমিতির যেকোনো পরামর্শ আপডেট এবং সমস্ত বিষয় নিয়ে সার্কেলের ইন্সপেক্টর দের সঙ্গে আলোচনাক্রমেই পৌছানোর একটা লক্ষ্য স্থির করা যেত, কিন্তু অফিস দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় তাও সম্ভব হচ্ছে না, ফলে কো-অপারেটিভ গুলি কে পিছিয়ে পড়ছে অনেক সমবায় সমিতি লসে রান করছে।
৩০ /৭/ ২০২৩ সাল ইন্সপেক্টর আবুল হোসেনকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে ধলাই জেলার দুর্গা চৌমুনি সার্কেল অফিসে। বক্সনগর সার্কেল অফিসে নতুন কোন ইনভেস্টিগেটর অফিসার আসেনি, সার্কেল অফিস বন্ধ করে দেয় সরকার, আজও অফিসটিতে তালা তুলছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে বক্সনগর এলাকার সমবায় সমিতি ফ্রেক্স সমস্ত পরিচালন কমিটি এবং সদস্য ও সদস্যদের মধ্যে অভিমান বৃদ্ধি পায়। তাহলে তো রাজ্যের সব জায়গাতে সমবায় সমিতির কর্মকান্ডের মাধ্যমে সব জায়গায় উন্নয়ন হবে, বক্সনগর আত্মসামাজিক মান উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে যাবে,একমাত্র অফিস বন্ধের কারণে, তাই সমস্ত পরিচালক সমবায় সমিতির নেতৃত্বরা বর্তমান সরকারের সমবায় মন্ত্রির নিকট করজোরে আবেদন করছে, বক্সনগর সার্কেল অফিসটি পুনরায় চালু করার জন্য, তাতে সমবায় সমিতির মাধ্যমে বেকারত্ব গোছাবে, উন্নয়নের দিশা পাবে।



















