আগরতলা, ১৫ মার্চ (হি. স.) : ভ্রমণে করোনার নমুনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক নয়। আদেশ জারি করল ত্রিপুরা ও বাংলাদেশ সরকার। আগামীকাল থেকেই ত্রিপুরায় ওই আদেশ কার্যকর হবে। এক্ষেত্রে কোভিডের দুইটি টিকা নেওয়া না হলেও করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হবে না। মূলত, কোভিড পরিস্থিতিতে অনেকটাই উন্নতির কারণে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ত্রিপুরা সরকার, এমনটাই আদেশে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার এক আদেশে বলেছে, দেশে আগত যাত্রীদের মধ্যে যে সকল যাত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোভিড-১৯ টিকার দুই ডোজ (জনসন এন্ড জনসন এর ক্ষেত্রে ১ ডোজ) সম্পন্ন করেছেন এবং টিকা সনদ সঙ্গে রয়েছে তাঁদের আরটি-পিসিআর ভিত্তিক নেগেটিভ কোভিড-১৯ রিপোর্ট ব্যাধতামূলক নয়।
তবে, বাংলাদেশে আগত যাত্রীদের মধ্যে যে সকল যাত্রী কোভিড-১৯ টিকার ডোজ সম্পন্ন করেনি, তাদের ৭২ ঘণ্টা মেয়াদী আরটি-পিসিআর ভিত্তিক নেগেটিভ কোভিড-১৯ রিপোর্ট ব্যাধতামূলক। শুধু তাই নয়, বহিঃগামী যাত্রীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে পৃথিবীর যে কোন দেশে গমনের পূর্বে যাত্রীগণ যে দেশে ভ্রমণ করবেন সে দেশের স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী আরটি-পিসিআর টেস্ট প্রযোজ্য হবে। যাত্রীদের কাছে কোভিড-১৯ টিকার সনদ থাকা আবশ্যক। এমনকি, যাত্রীদের মাঝে যাদের কোভিড-১৯ এর উপসর্গ থাকবে তাদের আইসোলেশনে রেখে আরটি-পিসিআর টেস্ট করতে হবে। এদিকে, আইসোলেশনের বিধি প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি বা কোভিড-১৯ চিকিৎসার গাইড লাইন প্রযোজ্য হবে। ১২ বছরের কম বয়সী যাত্রীর আরটি-পিসিআর ভিত্তিক নেগেটিভ কোভিড-১৯ রিপোর্ট ব্যাধতামূলক নয়, বাংলাদেশ সরকারের জারি করা আদেশে এমনটাই উল্লেখ রয়েছে। ১৪ মার্চ থেকে ওই আদেশ কার্যকর হচ্ছে।এদিকে, কোভিড পরিস্থিতিতে উন্নতির কারণে ত্রিপুরায় বিমানবন্দর, আইসিপি, রেলওয়ে স্টেশন এবং চুরাইবাড়ি চেকপোষ্ট দিয়ে প্রবেশে স্ক্রিনিং এবং করোনার নমুনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক নয়। ত্রিপুরা সরকার ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে আদেশ জারি করেছে। ১৬ মার্চ থেকে ওই আদেশ কার্যকর হবে। যথারীতি সমস্ত মেডিকেল টিম ওই সমস্ত স্থান থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা: সংগীতা চক্রবর্তী জানিয়েছেন।


















