প্রত্যেককে আলাদাভাবে চাকুরিচ্যুতির পত্র চেয়ে ফের আন্দোলনে চাকুরিচ্যুত শিক্ষকরা

আগরতলা, ১১ জানুয়ারি (হি. স.) : প্রত্যেককে আলাদাভাবে চাকুরিচ্যুতির পত্র দিতে হবে, নইলে পুণরায় রাস্তায় নামার এবং আদালতের দ্বারস্ত হওয়ার হুমকি দিয়েছেন চাকুরিচ্যুত শিক্ষকরা। আজ তাঁরা শিক্ষা অধিকর্তার কাছে ডেপুটেশন দিয়ে চাকুরিচ্যুতির পত্রের আবেদন জানিয়েছেন। এই মুহুর্তে তাঁদের চাকুরিচ্যুতির পত্র দেওয়া সম্ভব নয় বলে শিক্ষা অধিকর্তা অবহিত করেছেন বলে দাবি চাকুরিচ্যুত শিক্ষক বিজয় কৃষ্ণ সাহার। একই দাবিতে শিক্ষামন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনা চাইছেন চাকুরিচ্যুত শিক্ষকরা।


আজ চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের সংগঠন জয়েন্ট মুভমেন্ট কমিটি বিদ্যালয় শিক্ষা অধিকর্তাকে মেমোরেন্ডাম তুলে দেন। তাঁরা জানিয়েছেন, চাকুরিচ্যুতির পত্র এখনো তাঁদের হাতে এসে পৌছায়নি এবং এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ কার্ড, সার্ভিস বুক তাঁরা ফেরত পাননি। মেমোরেন্ডামে লেখা রয়েছে, তন্ময় নাথ এবং অন্যান্য মামলায় রায়ে কিভাবে ১০৩২৩ জন শিক্ষকের চাকুরিচ্যুতি হল, যেখানে সকল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। সাথে তাঁরা মামলার নির্দিষ্ট নম্বর জানতে চেয়েছেন।


জয়েন্ট মুভমেন্ট কমিটির সদস্য বিজয় কৃষ্ণ সাহা এদিন বলেন, আজকের মেমোরেন্ডাম অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত ত্রিপুরা সরকারের। কারণ, তার সাথে কয়েক সহস্রাধিক মানুষের জীবন নির্ভর করছে। অন্যথা, চাকুরিচ্যুত শিক্ষকরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হবেন। তিনি বলেন, চাকুরী থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলে চাকুরিচ্যুতির পত্র দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সে মোতাবেক প্রত্যেক চাকুরিচ্যুত শিক্ষক-শিক্ষিকার সেই পত্র পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের বেতন বন্ধ করে দিয়েছে এবং আমাদের স্কুলে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। কিন্ত, ত্রিপুরা সরকার ওই নিয়ম মানছে না।


তিনি বলেন, প্রত্যেককে পৃথকভাবে চাকুরিচ্যুতির পত্র না দেওয়া হলে সকলে মিলে পুণরায় আদালতের দরজায় কড়া নাড়তে হবে আমাদের।