আগরতলা, ৭ অক্টোবর: সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন বিজেপির এক সক্রিয় সদস্য। অভিযোগ, সোনামুড়া গোমতী নদীর পাশে বাঁশবাজার এলাকায় রাতের অন্ধকারে কোনও ধরনের উচ্ছেদ নোটিশ না দিয়েই বুলডোজার দিয়ে তাঁর প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ভুক্তভোগী বিজেপি সদস্যের দাবি, বাঁশবাজার এলাকায় গোমতী নদীর পাড় সংলগ্ন সরকারি জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর দোকানটি রয়েছে। তাঁর দাবি, দোকানটি প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো। কিন্তু দোকান উচ্ছেদের আগে সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তাঁকে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ, রাতের বেলায় আচমকাই বুলডোজার নিয়ে এসে দোকানটি ভেঙে দেওয়া হয়।
শুধু তাই নয়, ওই বিজেপি সদস্যের আরও অভিযোগ, একই এলাকায় সরকারি জায়গায় আরও বহু দোকান ও বাড়ি রয়েছে। কিন্তু সেগুলির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে শুধুমাত্র তাঁর দোকানটিকেই লক্ষ্য করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এর পিছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
নগর পঞ্চায়েতের কয়েকজন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ওই বিজেপি সদস্য।
এদিকে, গোটা ঘটনা সম্পর্কে সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সনের বক্তব্য, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে আরও প্রশ্ন উঠেছে—চেয়ারপার্সনের অজ্ঞাতসারে কীভাবে রাতের বেলায় বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলো?
ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোনামুড়া এলাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
একইসঙ্গে বিজেপির অন্দরেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে দোকান ভাঙার সিদ্ধান্তের প্রকৃত কারণ এবং উচ্ছেদ অভিযানটি কোন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরিচালিত হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
























