আগরতলা, ৮ আগস্ট: আগরতলায় প্রস্তাবিত চা নিলাম কেন্দ্র চালুর আগে গুয়াহাটি চা নিলাম কেন্দ্র পরিদর্শন করল ত্রিপুরার একটি প্রতিনিধিদল। ইলেকট্রনিক নিলাম ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রটির পরিচালন পদ্ধতি সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা নিতেই এই পরিদর্শন বলে জানা গেছে।
আগরতলা চা নিলাম কেন্দ্রটি আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই কেন্দ্র চালু হলে ত্রিপুরার চা চাষি ও উৎপাদকরা তাঁদের উৎপাদিত চা বাজারজাত করার জন্য একটি স্বচ্ছ ও নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ত্রিপুরা প্রতিনিধিদলে ছিলেন ত্রিপুরা টি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সমীর রঞ্জন ঘোষ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা আইএএস রাজেশ কুমার দাস। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন টি বোর্ড ইন্ডিয়ার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অরুণিতা ফুকন। গুয়াহাটি চা নিলাম কেন্দ্র এবং অসম টি অ্যাসোসিয়েশনের একাধিক আধিকারিকও আলোচনায় অংশ নেন।
সচিব প্রিয়ানুজ দত্ত প্রতিনিধিদলকে চা নিলামের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। চা গ্রহণ ও ক্যাটালগ তৈরি থেকে শুরু করে গুণমান নির্ধারণ, ইলেকট্রনিক বিডিং, ক্রেতাদের অংশগ্রহণ, পরিবহণ ব্যবস্থা এবং অর্থের নিষ্পত্তি পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে জানানো হয়।
নিলাম প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং চায়ের সঠিক বাজারমূল্য নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। ত্রিপুরার প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুয়াহাটির এই পরিদর্শন রাজ্যের চা সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা এবং চা উৎপাদকদের বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিয়েছে।
জানা গেছে, গুয়াহাটি চা নিলাম কেন্দ্রের অনুসৃত বেশ কিছু পদ্ধতি আগরতলায় প্রস্তাবিত চা নিলাম কেন্দ্রে গ্রহণ করা হতে পারে। নতুন কেন্দ্র চালু হলে চায়ের ভালো দাম পাওয়ার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি বিপণন প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আগরতলা চা নিলাম কেন্দ্র চালু হলে ত্রিপুরার চা শিল্প আরও সংগঠিত হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় চা বাজারে রাজ্যের অবস্থান শক্তিশালী হবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।






















