নয়াদিল্লি, ২৯ জুলাই (আইএএনএস): কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এ মহিলাদের ৬৯ কেজি ভারোত্তোলনে রুপো জয়ের পর প্রথমেই মাকে ফোন করেছিলেন ভারতের ভারোত্তোলক হরজিন্দর কৌর। তিনি জানান, দীর্ঘদিন প্রতিযোগিতার জন্য বাড়ির বাইরে থাকায় তাঁর মা কিছুটা অভিমান করেছিলেন।
আইএএনএস-কে হরজিন্দর বলেন, “আমি যখনই কোনও পদক জিতি, সবার আগে মাকেই ফোন করি। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পরই ওঁর সঙ্গে কথা বলেছি। অনেক দিন ধরে প্রতিযোগিতার কারণে বাড়ির বাইরে থাকায় মা আমার ওপর একটু অভিমান করেছিলেন।”
২৯ বছর বয়সি এই ভারোত্তোলক মহিলাদের ৬৯ কেজি বিভাগে মোট ২২৭ কেজি (স্ন্যাচে ১০১ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১২৬ কেজি) ওজন তুলে রুপোর পদক জেতেন। শেষ ক্লিন অ্যান্ড জার্ক প্রচেষ্টায় ১২৬ কেজি সফলভাবে তুলে তিনি দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করেন এবং টানা দ্বিতীয় কমনওয়েলথ গেমসে পদক জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন।
নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে হরজিন্দর বলেন, “রুপোর পদক জিতে আমি খুশি। অনুশীলনের সময় আমি ক্লিন অ্যান্ড জার্কে এর চেয়েও বেশি ওজন তুলেছি। তবে বড় মঞ্চে আমার ছয়টি লিফটই বৈধ হয়েছে, সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় সন্তুষ্টির বিষয়।”
২০২২ সালের বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে জেতা ব্রোঞ্জকে এবার গ্লাসগো গেমসে রুপোয় উন্নীত করেছেন হরজিন্দর। তিনি জানান, পদকের রং বদলানোই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য।
“আমি এখানে এসেছিলাম আমার পদকের রং বদলানোর লক্ষ্য নিয়েই,” বলেন তিনি।
হরজিন্দরের ক্রীড়া জীবন শুরু হয়েছিল বেশ দেরিতে। প্রথমে তিনি কাবাডির প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন এবং রেইডার হিসেবে নিয়মিত অনুশীলন করতেন। এমনকি অনুশীলনের জন্য প্রতিদিন প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে যেতেন। পরে ২০১৬ সালে, ২০ বছর বয়সে পাটিয়ালার পাঞ্জাবি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে যায় এবং তিনি ভারোত্তোলনকে পেশা হিসেবে বেছে নেন।
























