নয়াদিল্লি, ১২ জুলাই (আইএএনএস): কিংবদন্তি নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী এস. জানকীর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানকীকে ভারতের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক আইকন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাঁর অমর গান আগামী প্রজন্মকেও সমানভাবে অনুপ্রাণিত করবে।
রবিবার সমাজমাধ্যম এক্স-এ শোকবার্তায় অমিত শাহ লেখেন, “প্রবীণ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী এস. জানকী আম্মার প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর অপার্থিব কণ্ঠ অসংখ্য গানকে কালজয়ী করে তুলেছে। ভারতের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি সঙ্গীত জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা রেখে গেলেন। তাঁর পরিবার, বন্ধু ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ওঁ শান্তি।”
শনিবার মহীশূরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৮৮ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এস. জানকী। তাঁর প্রয়াণের মধ্য দিয়ে ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত এক উজ্জ্বল সঙ্গীতজীবনের অবসান ঘটল। তিনি দেশের বিভিন্ন ভাষায় হাজার হাজার জনপ্রিয় গান গেয়ে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছিলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এস. জানকীর মৃত্যু ভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতির জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি। বিভিন্ন ভাষায় গাওয়া তাঁর গান প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সমান জনপ্রিয় ছিল।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জানকী তাঁর অনন্য কণ্ঠ ও অসাধারণ বহুমুখী প্রতিভার মাধ্যমে প্রতিটি অনুভূতিকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন। তাঁর সুরেলা গান আগামী দিনেও শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রাখবে।
তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ডিএমকে সভাপতি এম. কে. স্টালিনও প্রবীণ এই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গানের কোকিল’ এস. জানকীর প্রয়াণ শুধু তামিলনাড়ু নয়, সমগ্র দক্ষিণ ভারত এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি।
এস. জানকীর নাতনি সমাজমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর জানান। ১৯৫৭ সালে তামিল ছবি ‘বিধিয়িন ভিলাইয়াট্টু’-এর মাধ্যমে নেপথ্য সঙ্গীতে অভিষেক হলেও একই বছর থেকে মালয়ালম চলচ্চিত্রেও তাঁর দীর্ঘ ও সফল যাত্রা শুরু হয়। অসাধারণ বহুমুখিতা ও আবেগঘন কণ্ঠের জন্য পরিচিত এস. জানকী ভারতীয় বিভিন্ন ভাষায় হাজার হাজার গান রেকর্ড করে ভারতীয় সঙ্গীতজগতে এক অনন্য উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।
























