News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • জি রাম জি আইনের সুবিধাগুলি রাজ্যে সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
Image

জি রাম জি আইনের সুবিধাগুলি রাজ্যে সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২ জুলাই: সারা দেশের সঙ্গে গতকাল ত্রিপুরাতেও বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার ও আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বা ভিবি জি রামজি আইন চালু হয়েছে। আজ অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলার মুক্কাভারিপাল্লে গ্রামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু এবং উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ। বিভিন্ন রাজ্যে এই অনুষ্ঠান সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। আগরতলার নজরুল কলাক্ষেত্রে আয়োজিত রাজ্যভিত্তিক অনুষ্ঠানেও তিরুপতি জেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানো হয়।

নজরুল কলাক্ষেত্রে আয়োজিত রাজ্যভিত্তিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষামন্ত্রী টিংকু রায়। মূল অনুষ্ঠান শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ভারতের গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে আজ এক নতুন যুগের সূচনা হলো। গ্রামীণ কর্মসংস্থান, জীবন জীবিকার সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে অধিকতর শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই আইন সারা দেশের সাথে আমাদের রাজ্যেও কার্যকর হয়েছে। নতুন এই আইনে প্রতিটি যোগ্য গ্রামীণ পরিবারকে সর্বাধিক ১২৫ দিনের মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিনের মজুরি হবে ৩০০ টাকা। তিনি বলেন, রাজ্যে এই আইন কার্যকর করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে গ্রামীণ জনগণকে সচেতন করতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কৃষি উৎপাদন যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয় সেই লক্ষ্যে বছরে ৬০ দিন পিক এগ্রিকালচারেল সিজন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ে জি রামজি কর্মসূচির কাজ স্থগিত থাকবে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যপূরণে এই আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নতুন এই আইনের সুবিধাগুলি রাজ্যে সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই কাজে সহযোগিতা করতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের এম.ডি.সি. গীতা দেববর্মা, পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল। নতুন এই আইনের সাফল্য কামনা করে বক্তব্য রাখেন গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব সুভাষ চন্দ্র সাহা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার। অতিরিক্ত জেলাশাসক অরূপ দেব জি রাম জি আইনের সুবিধাগুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে পুরাতন আগরতলা ব্লকের মা মনসা স্বসহায়ক দলের সদস্যা রত্না দাস এই কর্মসূচির জাতীয় পর্যায়ের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে তার আত্মনির্ভর হওয়ার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।

Releated Posts

রবি মরশুমের ধান ক্রয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্বের বার্তা

আগরতলা, ৩ জুলাই: রবি মরশুমের ধান ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (এমএসপি) ক্রয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক…

ByByReshmi Debnath Jul 3, 2026

ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ড. দেবব্রত দাস

আগরতলা, ৩ জুলাই: ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে ড. দেবব্রত দাসকে নিয়োগ করেছে ভারত সরকার। কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটর…

ByByTaniya Chakraborty Jul 3, 2026

উদ্বোধনের অপেক্ষায় ৫০ শয্যার আগরতলা সিভিল হাসপাতাল, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্তে

আগরতলা, ৩ জুলাই : আগরতলার প্রস্তাবিত ৫০ শয্যার সিভিল হাসপাতাল উদ্বোধনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। খুব শীঘ্রই হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক…

ByByTaniya Chakraborty Jul 3, 2026

ত্রিপুরায় স্বাস্থ্য পরিষেবা ও এনএইচএম কর্মসূচির অগ্রগতি খতিয়ে দেখলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্মসচিব মীরা শ্রীবাস্তব

আগরতলা, ৩ জুলাই:  জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম)-এর বিভিন্ন কর্মসূচি, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য পরিষেবা, টিকাকরণ এবং রোগ নজরদারি…

ByByReshmi Debnath Jul 3, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top