কলকাতা, ২৮ জুন (আইএএনএস): হাওড়া জেলার বাগনানের বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শেখ সইফুদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় হাওড়া জেলা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের সিআইডির যৌথ তদন্তকারী দলের হাতে এটি ১১তম গ্রেফতার।
২১ জুন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে যায়। এফআইআরে মোট ৫১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১১ জন গ্রেফতার হলেও ৪০ জন এখনও পলাতক।
রবিবারই শেখ সইফুদ্দিনকে হাওড়ার একটি জেলা আদালতে তোলা হবে। তদন্তের স্বার্থে তাকে সিআইডি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবেন সরকারি কৌঁসুলি।
শনিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করার পাশাপাশি দোষীদের শাস্তির আশ্বাস দেন।
এরপর তিনি বাগনান থানায় গিয়ে পুলিশ ও সিআইডি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বাকি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে তদন্তকারীদের আরও গভীরে যেতে হবে।
তিনি জানান, গত ১৭ জুন প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি গুরুতর জখম হন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন এখনও কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাজ্য সরকারের বিশেষ তত্ত্বাবধানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দুঃখজনকভাবে প্রশান্তকে বাঁচানো যায়নি। প্রথম দিন থেকেই আমি এই ঘটনার উপর নজর রাখছি।”
ইতিমধ্যেই হাওড়া জেলা শাসকের দফতর নিহতের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী আরও ৫ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে দেওয়ার ঘোষণা করেন। পাশাপাশি, প্রশান্ত দে-র বড় মেয়েকে বিডিও অফিসে চুক্তিভিত্তিক চাকরি দেওয়ার কথাও জানান।
সূত্র: আইএএনএস



















