আমদাবাদ, ২৮ জুন (আইএএনএস): গুজরাটের আমদাবাদের সর্দার বল্লভভাই পটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাংকক থেকে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ১১ কোটি টাকা মূল্যের ১০.৯১ কেজি হাইড্রোপনিক গাঁজা উদ্ধার করেছে শুল্ক দফতর। রবিবার এই তথ্য জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে, থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩৪৩ উড়ানে ব্যাংকক থেকে আমদাবাদে পৌঁছন ওই যাত্রী গুজরাটের জুনাগড় জেলার মাঙ্গরোল এলাকার বাসিন্দা।
চেক-ইন লাগেজ পরীক্ষার সময় শুল্ক দফতরের স্নিফার কুকুর মাদকদ্রব্যের উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। লাগেজ ট্যাগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে চিহ্নিত করে আটক করেন এয়ার ইন্টেলিজেন্স ইউনিট-এর আধিকারিকরা।
এরপর যাত্রীর ট্রলি ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি রুপোলি রঙের পলিথিনের প্যাকেট উদ্ধার হয়। প্যাকেটগুলির মধ্যে সবুজ রঙের উদ্ভিদজাত পদার্থ লুকিয়ে রাখা ছিল। ফিল্ড টেস্টিং কিটে পরীক্ষার পর সেটি হাইড্রোপনিক গাঁজা বলে নিশ্চিত হয়।
শুল্ক দফতরের এক আধিকারিক আইএএনএস-কে জানান, উদ্ধার হওয়া মাদকের মোট ওজন ১০,৯১১ গ্রাম। আন্তর্জাতিক বাজারে এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।
মাদকদ্রব্যটি নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস (এনডিপিএস) আইন, ১৯৮৫-এর আওতায় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত যাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্রের উৎস, সম্ভাব্য প্রাপক এবং বৃহত্তর পাচারচক্রের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ব্যাংকক থেকে আমদাবাদে আসা যাত্রীদের কাছ থেকে একাধিকবার হাইড্রোপনিক গাঁজা উদ্ধারের ঘটনা সামনে এসেছে। গত মাসে একই রুটে আসা এক যাত্রীর লাগেজ থেকে ২০ কেজিরও বেশি গাঁজা উদ্ধার করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া পৃথক দুটি ঘটনায় যথাক্রমে প্রায় ৬.৫ কেজি এবং ৪ কেজি হাইড্রোপনিক গাঁজাও বাজেয়াপ্ত করা হয়।
শুধু আমদাবাদ নয়, গত সপ্তাহে মুম্বই বিমানবন্দরেও ব্যাংককফেরত দুই যাত্রীর লাগেজ থেকে ১৯ কেজিরও বেশি হাইড্রোপনিক গাঁজা উদ্ধার করে শুল্ক দফতর। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলির মাধ্যমে ভারতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যানাবিস পাচারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।



















