বুলন্দশহর/বলিয়া, ৬ জুন (আইএএনএস): অপরাধীদের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পৃথক দুটি এনকাউন্টারে বুলন্দশহর ও বলিয়া জেলায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন খুনের মামলার অভিযুক্ত, অন্যজনের মাথার উপর ছিল ২৫ হাজার টাকার পুরস্কার।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুলন্দশহরে ফৈজান কুরেশি নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি সিকান্দরাবাদের বাসিন্দা বিপিন হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত। গত ২ জুন চোলা রোডের একটি বন্ধ কারখানার কাছে নর্দমা থেকে বিপিনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
তদন্তে উঠে এসেছে, ফৈজান কুরেশি ও তার সহযোগী জায়েদ সাইফি মিলে বিপিনকে খুন করে। পরে দেহটি একটি বস্তার মধ্যে ভরে নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়, যাতে অপরাধের প্রমাণ লোপাট করা যায়।
পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা বিপিনের ই-রিকশাটিও ছিনতাই করেছিল এবং সেই ছিনতাইয়ের ঘটনাকেই কেন্দ্র করে খুনটি সংঘটিত হয়।
শুক্রবার গভীর রাতে ফৈজান চুরি করা ই-রিকশাটি সরানোর চেষ্টা করছিল বলে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। সেই সময় পুলিশের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। অভিযানের সময় জায়েদ সাইফি পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পাল্টা পুলিশি গুলিতে ফৈজান আহত হয় এবং পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযুক্তের কাছ থেকে চুরি হওয়া ই-রিকশা উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি একটি দেশি পিস্তল ও কয়েক রাউন্ড তাজা কার্তুজও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
সার্কেল অফিসার ভাস্কর মিশ্র জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ফৈজান অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পলাতক জায়েদ সাইফিকে ধরতে তল্লাশি চলছে।
অন্যদিকে, বলিয়া জেলার দকতি থানা এলাকায় এনকাউন্টারের পর ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষিত এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ধৃতের নাম ধীরাজ সিং। এনকাউন্টারের সময় তার বাঁ পায়ে গুলি লাগে। বর্তমানে জেলা হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয় বর্মা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে দকতি ডালা এলাকার কাছে ধীরাজের অবস্থান সম্পর্কে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ ফাঁদ পাতে।
পুলিশের দাবি, ধীরাজ পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশের উপর গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে তার পায়ে গুলি লাগে। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃতের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।























