আইজল, ১৬ এপ্রিল: মিজোরামে জনগণনার প্রথম পর্যায় বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। এই উপলক্ষে বুধবার আইজল প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো, আইজল, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এবং মিজোরাম সরকারের জনগণনা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মিজোরামের জনগণনা অধিকর্তা বিনোদ পি খাবলে, জিএডি-র অতিরিক্ত সচিব পাই আইরিন জোহিমপুই চংথু, এএমসি কমিশনার জোসেফ এইচ. লালরামসাঙ্গা, জিএডি উপসচিব পি লালরিঞ্চানি রাল্তে এবং জনগণনার উপ-অধিকর্তা জামিল আর সুইয়ে।
জনগণনা অধিকর্তা জানান, ২০২৭ সালের আদমশুমারি মিজোরামে দুই পর্যায়ে সম্পন্ন হবে এবং এটি হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রথম জনগণনা। তিনি বলেন, প্রায় ১৫ বছর পর এই জনগণনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম পর্যায়, অর্থাৎ হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেন্সাস (এইচএলও), চলবে ১৬ এপ্রিল থেকে ১৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জনসংখ্যা গণনা (পপুলেশন এনুমারেশন) সম্পন্ন হবে।
তিনি আরও জানান, ১ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত স্ব-গণনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যেখানে নাগরিকরা অনলাইন পোর্টালে নিজেদের পরিবারের তথ্য জমা দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত মিজোরামে মোট ১০,২৯৪টি স্ব-গণনা সম্পন্ন হয়েছে।
জনগণনা অধিকর্তা নাগরিকদের কাছে আবেদন জানান, গণনাকারী ও তত্ত্বাবধায়কদের পূর্ণ সহযোগিতা করতে। তিনি বলেন, বাড়িতে গণনাকারীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া, বাড়িতে নির্ধারিত নম্বর লেখার অনুমতি এবং সঠিক তথ্য প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৩১ সালের পর দীর্ঘ বিরতির পরে এবার আবার জাতিগত জনগণনার তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি ১৯৪৮ সালের জনগণনা আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করা হবে এবং তা কোনওভাবেই অন্য কারও সঙ্গে ভাগ করা হবে না।
তিনি আশ্বস্ত করেন, জনগণনার তথ্য কেবল গ্রাম বা ওয়ার্ড স্তরে প্রকাশিত হয়, কোনও ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশিত হয় না। ফলে এই তথ্যের ভিত্তিতে কারও নাগরিকত্ব নিয়ে কোনও ঝুঁকি নেই।
সবশেষে, তিনি মিজোরামের সকল বাসিন্দাকে ২০২৭ সালের জনগণনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।



















