News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর রাজ্যের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী
Image

তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর রাজ্যের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১৯ মার্চ: রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর রাজ্যের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পরিচর্যা, বিকাশে ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে। রাজ্যের উন্নত মিশ্র সংস্কৃতির পরিচর্যা, সংরক্ষণ এবং ক্রমাগত উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে রাজ্য সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। লুপ্তপ্রায় সাংস্কৃতিক চর্চা পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ, লোক সংস্কৃতির প্রসার, আধুনিকতার মিশ্রণ, বহিরাজ্যের সাথে অধিক মাত্রায় সাংস্কৃতিক বিনিময়, ত্রিপুরা ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউট স্থাপন ইত্যাদি রাজ্যের সাংস্কৃতিক বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। তিনি বলেন, প্রতি অর্থবছরে মহকুমা, জেলা এবং রাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির সাথে আলোচনাচক্রমে সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দিয়ে বার্ষিক সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয় এবং ক্যালেন্ডার অনুযায়ী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এছাড়াও প্রয়োজনের নিরিখে সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডার বহির্ভূত প্রোগ্রামও করা হয়ে থাকে। নাটক, যাত্রা, শাস্ত্রীয় সংগীত, চারুকলা, পুতুল নাচ, ধামাইল, কবিতা ও সাহিত্য উৎসব, জাতি ও জনজাতিদের ঐতিহ্যবাহী লোক সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ রাজ্যের

সাংস্কৃতিক জগৎকে নতুন পরিসরে সমৃদ্ধ করেছে। সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নতুন প্রতিভা অনুসন্ধানের জন্য অডিশনের মাধ্যমে আর্টিস্ট এমপ্যানেলমেন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিয়মিত ওয়ার্কশপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের প্রতিভা বিকাশে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা অল্প সময়েই ফলপ্রসূ হয়েছে। তাছাড়া সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলিকে সাংস্কৃতিক চর্চায় আবেদনের ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর জীবিকার সাথে সাংস্কৃতিক চর্চার অধিক মাত্রায় মেলবন্ধন স্থাপন, সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশ, বিভিন্ন জেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন, রাজ্যের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিচর্চা, সাংস্কৃতিক ম্যাপিং, সাংস্কৃতিক পরিষেবা উন্নয়নে প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপ নির্মীয়মান ট্যুরিজম ও কালচারেল হাবকে সংস্কৃতি চর্চার এক উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে গঠন ইত্যাদি উদ্যোগ গুরুত্ব আরোপ করেছে।

Releated Posts

নয়াদিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, সাংগঠনিক বিষয় ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা

আগরতলা, ৪ আগস্ট: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা মঙ্গলবার নয়াদিল্লি সফরে যাচ্ছেন। এই সফরে দলের সাংগঠনিক বিষয়,…

ByByReshmi Debnath Aug 4, 2026

নিয়মিত হবে টেট, কিন্তু শূন্যপদ ও আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে ধাপে ধাপে হবে শিক্ষক নিয়োগ: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৪ আগস্ট: ত্রিপুরা সরকার নিয়মিতভাবে টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট (টেট) আয়োজন অব্যাহত রাখবে। তবে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে…

ByByReshmi Debnath Aug 4, 2026

প্রয়াত ত্রিপুরা ও বিহারের প্রাক্তন রাজ্যপাল পদ্মশ্রী ড. ডি ওয়াই পাতিল, শোক প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

আগরতলা, ৪ আগস্ট: বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী, ত্রিপুরা ও বিহারের প্রাক্তন রাজ্যপাল এবং পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত ড. ডি. ওয়াই. পাতিল…

ByByTaniya Chakraborty Aug 4, 2026

ত্রিপুরায় ঐতিহ্যবাহী কের পূজা অনুষ্ঠিত

আগরতলা, ৪ আগস্ট: ত্রিপুরায় আজ ঐতিহ্যবাহী কের পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগরতলায় উজ্জয়ন্ত প্রাসাদে প্রথা মেনে জনজাতি-দের এই পূজা…

ByByTaniya Chakraborty Aug 4, 2026
Scroll to Top