News Flash

  • Home
  • দিনের খবর
  • তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ: আরও ৫ জন গ্রেপ্তার, মোট গ্রেপ্তার ৯
Image

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ: আরও ৫ জন গ্রেপ্তার, মোট গ্রেপ্তার ৯

কলকাতা, ১৫ মার্চ: উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (তৃণমূল কংগ্রেস) সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় আরও ৫ জনকে গ্রেপ্তার করল কলকাতা পুলিশ। রবিবার পুলিশ সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি উভয় পক্ষের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রেক্ষিতে কলকাতা পুলিশ নিজ উদ্যোগেও একটি মামলা রুজু করেছে।

এদিকে সংঘর্ষে আহত ছয়জন পুলিশকর্মীকে ইতিমধ্যেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আরও দুই পুলিশকর্মী এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সুপ্রতিম সরকার-এর কাছে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চেয়েছে। পাশাপাশি সংঘর্ষের জেরে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা-র বাড়িতে হামলার ঘটনাতেও রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

কমিশনের তরফে আরও জানতে চাওয়া হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য রাজ্যে আগে থেকেই মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়নি।

শনিবার নরেন্দ্র মোদী-র ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের সমাবেশের আগে গিরিশ পার্ক এলাকায় মন্ত্রী শশী পাঞ্জার বাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের দাবি, ব্রিগেডের সভায় যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীরাই এই হামলা চালায়।

অন্যদিকে বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, গিরিশ পার্ক দিয়ে মিছিল যাওয়ার সময় তৃণমূল কর্মীরাই তাদের সমর্থকদের উপর ইট-পাটকেল ছুড়ে হামলা চালায়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গিরিশ পার্ক এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বোবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স মোতায়েন করা হয়। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে বোবাজার থানার ওসি-সহ একাধিক পুলিশকর্মী ইটের আঘাতে আহত হন।

শনিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে তিনজন বিজেপি সমর্থক— কৃষাণু বসু, সানি দে এবং চরণজিৎ সিং।

এদিকে কলকাতা পুরসভার বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ অভিযোগ করেছেন, গ্রেপ্তার হওয়া বিজেপি সমর্থকদের কেউই সংঘর্ষের সময় ঘটনাস্থলের কাছাকাছি ছিলেন না। তিনি পুলিশের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল টাওয়ার লোকেশন প্রকাশের দাবি জানান।

অন্যদিকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, “একজন মহিলা মন্ত্রীর উপর হামলা মানে রাজ্যের প্রতিটি মহিলার উপর আঘাত। পশ্চিমবঙ্গে উসকানিমূলক রাজনীতি এনে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। এই ধরনের ‘গেরুয়া গুণ্ডামি’ বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।”

Releated Posts

ভরাডুবির পর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি, জেলা ভিত্তিক পরামর্শ কর্মসূচির পথে এআইএডিএমকে

চেন্নাই, ১৩ জুন (আইএএনএস): ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ…

ByByNews Desk Jun 13, 2026

ডিজিটাল ও শিক্ষা সংস্কারের আওতায় ১.৪৯ লক্ষের বেশি স্কুল, জানাল কেন্দ্র

নয়াদিল্লি, ১৩ জুন (আইএএনএস): দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)…

ByByNews Desk Jun 13, 2026

মোদির সফর ঘিরে উচ্ছ্বসিত ফ্রান্সের ভারতীয় প্রবাসীরা, ‘নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছি’

নিস (ফ্রান্স), ১৩ জুন (আইএএনএস): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র ফ্রান্স সফরকে ঘিরে উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে সেখানে বসবাসকারী ভারতীয় প্রবাসীদের মধ্যে।…

ByByNews Desk Jun 13, 2026

মোদিকে অপমান মানে ১৪০ কোটি ভারতীয়কে অপমান: সঞ্জয় রাউতের মন্তব্যে পাল্টা বিজেপি

নয়াদিল্লি, ১৩ জুন (আইএএনএস): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-কে নিয়ে সঞ্জয় রাউত-এর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে শনিবার পাল্টা আক্রমণ শানাল…

ByByNews Desk Jun 13, 2026
Scroll to Top