কৈলাসহর, ৩ মার্চ : তেসরা মার্চ সোমবার বিকেলে ধলিয়ারকান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং উপ প্রধানের বিরুদ্ধে ছয় জন পঞ্চায়েত সদস্য লিখিতভাবে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয় ঊনকোটি জেলা পঞ্চায়েত অফিসারের কাছে।
উল্লেখ্য, কৈলাসহরের গৌরনগর ব্লকের অধীনে থাকা এগারো আসন বিশিষ্ট ধলিয়ারকান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতটি বিজেপি দলের দখলে ছিল। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক কালে সারা রাজ্যের সাথে কৈলাসহর মন্ডলেও নতুন সভাপতি নিয়োগ করার পর থেকে কৈলাসহর মন্ডলের অধীনে থাকা একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপি দলের হাতছাড়া হতে যাচ্ছে। গত পয়লা মার্চ কৈলাসহর মন্ডলের অধীনে থাকা নূরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতটি বিজেপি দলের হাতছাড়া হবার পর এবার ধলিয়ারকান্দি গ্রাম পঞ্চায়েত। ১১ আসন বিশিষ্ট ধলিয়ারকান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি দলের সাতজন নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য ছিল এবং কংগ্রেস দলের চারজন নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য ছিল। বিজেপিদল ধলিয়ারকান্দি পঞ্চায়েতটি দখল করার পর বিজেপি দলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য রেবা রানী বিশ্বাসকে প্রধান এবং বিজেপি দলের অপর নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য তোফাইল আহমেদকে উপ প্রধান করেছিল।
তেসরা মার্চ সোমবার বিকেলে ধলিয়ারকান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের কংগ্রেস দলের চারজন পঞ্চায়েত সদস্য নিভাস নম, খলিলুর রহমান, জসিম আলী, বাসিরুন নেছা এবং বিজেপি দলের দুইজন পঞ্চায়েত সদস্য জয়ারানী নম, ফাতেমা বেগম এই ছয়জন পঞ্চায়েত সদস্য মিলে পঞ্চায়েতের প্রধান এবং উপ প্রধানের বিরুদ্ধে ঊনকোটি জেলা পঞ্চায়েত অফিসার ডেভিড.এল হালামের নিকট লিখিতভাবে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়েছে জেলা পঞ্চায়েত অফিসার নিজেই স্বীকার করেছেন। অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার পঞ্চায়েত সদস্য জসিম আলী সংবাদ প্রতিনিধিদের জানান যে, পঞ্চায়েতের প্রধান এবং উপ প্রধান পঞ্চায়েত এলাকায় কোনো ধরনের উন্নয়ন মূলক কাজ করাচ্ছেন না, উনারা প্রতিদিন পঞ্চায়েত অফিসে আসেন না এবং প্রধান ও উপ প্রধান দুজনেই বিভিন্ন দুর্নীতির সাথে জড়িত হয়ে রয়েছেন। তাই পঞ্চায়েতের প্রধান এবং উপ প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।



















