News Flash

  • Home
  • ত্রিপুরা
  • সরকারি সহায়ক মূল্য থেকে খোলা বাজারে ধান বিক্রিতে লাভ কৃষকদের, তাই খোলা বাজারেই আগ্রহী কৃষক
Image

সরকারি সহায়ক মূল্য থেকে খোলা বাজারে ধান বিক্রিতে লাভ কৃষকদের, তাই খোলা বাজারেই আগ্রহী কৃষক

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কাঞ্চনপুর, ৭ জানুয়ারি : সরকারি মূল্য থেকে খোলা বাজারে ধানের দাম বেশি। ঘরে বসেই মিলছে ক্রেতা। তাই সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রিতে অনীহা দেখাচ্ছেন কৃষকরা। ফলে প্রচারে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে  রাজ্য সরকার কৃষকদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে  উৎপাদিত ধান কেনার প্রচেষ্টা তলানিতে ঠেকছে। খবর নিয়ে জানা যায় খোলা বাজারে কৃষকরা সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য পেয়ে পাইকারদের কাছে ধান বিক্রি করছেন।  

তাই রাজ্য সরকারের  সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয়ের বিষয়ে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না কৃষকরা। যার ফলে সরকারি ভাবে ধান কেনার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল তার ধারে কাছেও যাচ্ছে না । উত্তর জেলার এক সরকারি আধিকারিক জানান কৃষকরা সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি তেমন উৎসাহ দেখাচ্ছেন না। যদিও দপ্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে জনমনে প্রশ্ন খোলা বাজারে ধানের দাম বেশি থাকলে কেনইবা চাষিরা সরকারি নির্ধারিত সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করবেন।
জানা গেছে সরকারিভাবে প্রতি কেজি ২১ টাকা ৮৩ পয়সা দরে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি নিয়মে ইতিমধ্যেই সারা রাজ্যে ২৩টি মহকুমায় পর্যায়ক্রমে ৮৯টি ধান ক্রয় কেন্দ্রে ধান ক্রয় করা শুরু হয়েছে। কিন্তু খবর নিয়ে জানা যায় সহায়ক মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার জন্য যে লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছিল তার ধারে কাছেও ধান কেনা যাচ্ছে না। ।

কৃষকদের বক্তব্য যেখানে সরকারি নির্ধারিত সহায়ক মূল্যে  প্রতি কেজি ধান ২১ টাকা ৮৩ পয়সা করে সরকার কিনছে সেখানে  খোলা বাজারেই প্রতি কেজি ধান ২৫  টাকা করে  পাইকাররা কৃষকদের বাড়ি থেকে নিয়ে যাচ্ছে। প্রায় সব মহকুমায়ই খোলা বাজারে ধানের দাম সহায়ক মূল্যে বিক্রি হওয়া ধানের দামের থেকে অনেক বেশি রয়েছে।

পাশাপাশি সরকারিভাবে সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে গিয়ে নানা ধরনের  ঝামেলা পোহাতে হয়। যার ফলে  ঘরে বসে খোলা বাজারে বেশি দামে ধান বিক্রি করতে আগ্ৰহ দেখাচ্ছেন বেশির ভাগ কৃষক ।যদিও  সরকার ধান কেনার তাদের লক্ষ্যমাত্রায় পৌচ্ছাতে জোরদার প্রচার  করেছে।  সবত্র লক্ষ লক্ষ টাকা খরচায়  ফ্লেক্স ফেষ্টুনে লাগানো হচ্ছে।
এদিকে এখন পর্যন্ত   কি পরিমান ধান সহায়ক  মূল‍্যে  কৃষকদের কাছ থেকে  ক্রয় করা হয়েছে তার হিসাবও পাওয়া যাচ্ছে না রাজ্যের প্রত্যন্ত মহকুমার কাঞ্চনপুরে খাদ্য দপ্তরের কাছে। এদিকে কাঞ্চনপুর দীর্ঘদিন ধরে খাদ্য দপ্তরের কোন এসডিসি নেই। জানা গেছে এসডিসির দায়িত্ব চালাচ্ছেন একজন ফুড ইন্সপেক্টর। দীর্ঘদিন যাবত এভাবে চলতে থাকায় কাঞ্চনপুর খাদ্য দপ্তরে অচলাবস্থা শুরু হয়েছে।

Releated Posts

২৩ দিন ধরে জিবি হাসপাতালের মর্গে পড়ে আব্দুল আউয়াল মিয়ার দেহ, ওয়ারিশের খোঁজে পুলিশের আবেদন

বিশালগড়, ১৩ মে: একটি হৃদয়বিদারক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যে। গত ২৩ দিন ধরে আগরতলা জিবি হাসপাতালের মর্গে পড়ে…

ByByReshmi Debnath May 13, 2026

এস আই আর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ, বৈধ ভোটারের নাম বাদ না দেওয়ার দাবি আমরা বাঙালীর

আগরতলা, ১৩ মে : ত্রিপুরাজুড়ে চলমান এস আই আর (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন) প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করল…

ByByTaniya Chakraborty May 13, 2026

রাহুল কিশোর রায় মৃত্যুকাণ্ডে বড় ধাক্কা অভিযুক্তদের, তিন অভিযুক্তের অগ্রিম জামিনের আবেদন খারিজ ধর্মনগর জেলা ও দায়রা আদালতে

ধর্মনগর, ১৩ মে: রাহুল কিশোর রায় মৃত্যুকাণ্ডে বড় ধাক্কা খেলেন অভিযুক্তরা। ধর্মনগর জেলা ও দায়রা আদালত মঙ্গলবার তিন…

ByByTaniya Chakraborty May 13, 2026

বিশালগড়ের রাউৎখলায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির অভিযোগে চাঞ্চল্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিশালগড়, ১৩ মে: বিশালগড়ের রাউৎখলা বাইপাস এলাকায় প্রকাশ্যে মাদকদ্রব্য বিক্রির অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…

ByByReshmi Debnath May 13, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top