News Flash

  • Home
  • দেশ
  • সিঙ্গুরের জমি ফেরত নিয়ে রাজ্যের অবস্থান নিয়ে রিপোর্ট জমার নির্দেশ হাইকোর্টের
Image

সিঙ্গুরের জমি ফেরত নিয়ে রাজ্যের অবস্থান নিয়ে রিপোর্ট জমার নির্দেশ হাইকোর্টের

কলকাতা, ৪ জানুয়ারি (হি.স.) : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও সিঙ্গুরের জমিহারাদের এখনও কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হল না। জমি ফেরতের বিষয়টিও কেন এখনও সম্পন্ন করা হয়নি। এ ব্যাপারে রাজ্যের অবস্থান কী? শুধু জমি ফেরতই নয়, জমিগুলিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে- এমন দাবিও করা হয়েছে৷ এই দাবি জানিয়ে ভারতীয় শান্তি দল নামে একটি সংগঠন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, জমিদাতা কৃষকদের ক্ষতিপূরণ-সহ জমি ফেরতের বিষয় বিবেচনা করবে রাজ্য। আবেদনকারীদের দাবি, শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরও রাজ্যের কাছে বহুবার আবেদন করে কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। তাই তাঁরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সিঙ্গুরের জমিহারাদের দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার রাজ্যের কাছে কৈফিয়ত চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছিল মামলা। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, এ ব্যাপারে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে নিজেদের অবস্থান জানাতে হবে। ২০০৬ সালে সিঙ্গুরে টাটা মোটরসকে ১ হাজার একর কৃষি জমি দিয়েছিল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকার। বহু ফসলি কৃষি জমিতে শিল্প স্থাপনের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছিলেন বাংলার তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে জমি রক্ষা কমিটি গড়ে আন্দোলনে নামেন সিঙ্গুরের চাষিরা। এরই মাঝে ২০১১ সালে পালাবদল ঘটে। এদিকে সিঙ্গুরের পরিবর্তে নিজেদের কারখানাকে গুজরাতে নিয়ে যায় টাটা গোষ্ঠী। শিল্পের জন্য অধিগৃহীত জমি ফের পুনরাবস্থায় ফেরানো এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চাষিরা। আদালতের তরফে অবিলম্বে চাষিদের ক্ষতিপূরণ এবং জমি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। মামলাকারীদের বক্তব্য, আদালতের নির্দেশের পর বেশ কয়েক বছর অতিক্রান্ত। এখনও জমি বা ক্ষতিপূরণের টাকা কিছুই পাননি তাঁরা। এরই সুরাহা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাষিরা। আদালত ৪ সপ্তাহের মধ্যে এ ব্যাপারে রাজ্যের কাছে তাদের অবস্থান জানতে চেয়েছে। প্রসঙ্গত, সিঙ্গুর থেকে কারখানা গোটানোর জন্য রাজ্যকে দায়ী করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে আরব্রিটাল ট্রাইবুনালে মামলা করেছিল টাটাগোষ্ঠী। গত বছরের ৩০ অক্টোবর এ ব্যাপারে ট্রাইবুনাল জানিয়ে দিয়েছে, টাটা গোষ্ঠীকে ৭৬৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। শুধু তাই নয়, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ওই টাকার উপর ১১ শতাংশ হারে সুদও দিতে হবে। ২০১৬ সাল থেকে ইতিমধ্যে ৭ বছর অতিক্রান্ত। এই সাত বছরে সরল সুদের হার ১১ শতাংশ হলে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক দাঁড়ায় ১৩৫৫ কোটি টাকা। রাজ্য সরকার যতক্ষণ না ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে ততক্ষণ এই সুদে গুনে যেতে হবে।

Releated Posts

‘অভিলেখ পাতাল’ পোর্টালে ২০ কোটির বেশি ঐতিহাসিক নথি অনলাইনে: প্রধানমন্ত্রী মোদি

নয়াদিল্লি, ২৬ এপ্রিল (আইএএনএস): দেশের ইতিহাসকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে বড় পদক্ষেপ—ন্যাশনাল আর্কাইভস অফ ইন্ডিয়ার ‘অভিলেখ পাতাল’…

ByByNews Desk Apr 26, 2026

বঙ্গে কংগ্রেস কর্মী খুনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব’-এর অভিযোগ রাহুলের

নয়াদিল্লি, ২৬ এপ্রিল (আইএএনএস): পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে কংগ্রেস কর্মী দেবদীপ চট্টোপাধ্যায়ের হত্যাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ…

ByByNews Desk Apr 26, 2026

জনগণনার দায়িত্ব সবার, শুধু সরকারের নয়: প্রধানমন্ত্রী মোদি

নয়াদিল্লি, ২৬ এপ্রিল (আইএএনএস): জনগণনা শুধুমাত্র সরকারের কাজ নয়, বরং প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব—এ কথা উল্লেখ করে দেশবাসীকে ২০২৭…

ByByNews Desk Apr 26, 2026

কপিল সাঙওয়ান গ্যাংয়ের অস্ত্র সরবরাহকারী গ্রেপ্তার, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

নয়াদিল্লি, ২৬ এপ্রিল (আইএএনএস): দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের অ্যান্টি-গ্যাংস্টার স্কোয়াড (এজিএস) কপিল সাঙওয়ান ওরফে নান্দু গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত…

ByByNews Desk Apr 26, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top