News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • জিবিতে সুপার স্পেশালিটি ব্লক গড়ে তোলায় বহির রাজ্যে রেফার করার প্রবণতা অনেকটাই কমে গেছে : ডা. অনিন্দ্য সুন্দর ত্রিবেদী
Image

জিবিতে সুপার স্পেশালিটি ব্লক গড়ে তোলায় বহির রাজ্যে রেফার করার প্রবণতা অনেকটাই কমে গেছে : ডা. অনিন্দ্য সুন্দর ত্রিবেদী

আগরতলা, ১৭ ডিসেম্বর: জিবিতে বেশ কয়েকটি সুপার স্পেশালিটি ব্লক ইতিমধ্যে গড়ে উঠেছে। রাজ্যের জনগণ এর সুবিধা ভোগ করছেন। সুপার স্পেশালিটি ব্লক গড়ে তোলায় বহির রাজ্যে রেফার করার প্রবণতা অনেকটাই কমে গেছে। এ ধরনের প্রবণতা শূন্যের কোটায় নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। জিবি হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কার্ডিওলজি (হার্ট) বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হচ্ছেন ডা. অনিন্দ্য সুন্দর ত্রিবেদী

এবং ডা. রাকেশ দাস।গত ছয় মাসে এই বিভাগে সাড়ে আট হাজার রোগী চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন।গত ছয় মাসে এই বিভাগে ৩০০ জন রোগীর অ্যাঞ্জিওপ্লান্টি করা হয়েছে।প্রায় ১৫০ জন রোগীর পেসমেকার বসানো হয়েছে।গত ছয় মাসে মাত্র ৪ জন রোগীকে রেফার করা হয়েছে। এই বিভাগে নতুন ক্যাথ প্রয়োজন।যা এখনও গড়ে তোলা হয়নি।নিউরো সার্জারি (ওপেন সার্জারি) এই বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হচ্ছেন ডা. এস রেড্ডী এবং ডা. দেবদত্ত সাহা।গত ছয় মাসে এই বিভাগে প্রায় ৩০০০ রোগীকে বহিঃবিভাগে এবং প্রায় ৪০০ রোগীকে অন্ত:বিভাগে চিকিৎসা করা হয়েছে।সপ্তাহে গড়ে ৪০০ জন রোগী পরিষেবা গ্রহণ করেছেন।

গত ছয়মাসে ২৯০ টি সফল সার্জারি করা হয়েছে।ছয় মাসে মাত্র ৪ জন রোগীকে রেফার করা হয়েছে। এই চারজনকেও রেফা করতে হতো না, যদি নিউরোসার্জারি বিভাগে গামা ছুরি  অ্যান্ডোস্কোপি পিটুইটারি সার্জারির সুবিধা বা পরিকাঠামো থাকতো।শুধু তাই নয়, এই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগটিতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামেরও ঘাটতি রয়েছে।ইউরোলজি বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হচ্ছেন ডা. মুকুট দেবনাথ।গত ছয় মাসে প্রায় ২০০০ রোগীর চিকিৎসা হয়েছে।সপ্তাহে প্রায় ৯০ জন চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন।ছয়মাসে রেফার হয়েছেন ৫ জন।কিন্তু এই বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ এন্ডোস্কোপি এবং মাইক্রোসার্জারির সরঞ্জাম নেই। সিটিভিএস (ওপেন হার্ট সার্জারি) এই বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হচ্ছেন ডা. কনক নারায়ণ ভট্টাচার্য। 

গত ছয় মাসে প্রায় ৩০০০ রোগীর চিকিৎসা হয়েছে। সপ্তাহে গড়ে ১২০ জন।কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই বিভাগটিতেও রয়েছে একাধিক ঘাটতি ও সমস্যা।প্লাস্টিক সার্জারি,এই বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হচ্ছেন ডা. নীলোৎপল দে। গত ছয় মাসে ২২০০ জন রোগীর চিকিৎসা হয়েছে।ছয় মাসে রেফার হয়েছেন মাত্র ১ জন রোগী।কিন্তু এই বিভাগে বার্ণ আইসিইউ নেই।

যা এই বিভাগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।শুধু তাই নয়,বেশ কয়েকটি সুপার স্পেশালিটি বিভাগের অন্তঃবিভাগ নেই। প্রতিটি বিভাগেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সাথে সাথে আরও টেকনিশিয়ান, নার্স এবং ডাক্তার প্রয়োজন রয়েছে।রয়েছে আধুনিক সরঞ্জামের অভাব।এই ঘাটতি ও সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধান না হলে, রাজ্যবাসী সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। অবিলম্বে রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষভার মান উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ যন্ত্রপাতি নিয়ে আসা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে। 

Releated Posts

নির্বাচনী ময়দানে মনোনয়নের ঢল, জমা পড়ল ১০,৯৫৮ মনোনয়নপত্র, চূড়ান্ত প্রার্থী ১০৯৩৬

আগরতলা, ৮ সেপ্টেম্বর: আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার…

ByByReshmi Debnath Sep 8, 2026

আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে বিদ্যালয় ছুটের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে ত্রিপুরা: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৮ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা আজ জানিয়েছেন, সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মৌলিক সাক্ষরতা শক্তিশালী করার…

ByByReshmi Debnath Sep 8, 2026

রাজ্যের প্রতিটি জেলা হাসপাতালে সান্ধ্যকালীন বহির্বিভাগে চিকিৎসা পরিষেবা চালু

আগরতলা, ৮ সেপ্টেম্বর: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে উন্নত স্বাস্থ্য…

ByByTaniya Chakraborty Sep 8, 2026

সরকারের পারফরম্যান্স মাইনাস জিরো, বিজেপিকে কড়া আক্রমণ মানিক সরকারের

আগরতলা, ৮ সেপ্টেম্বর: রাজ্য সরকারের পারফরম্যান্সকে ‘মাইনাস জিরো’ বলে কটাক্ষ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিআইএম নেতা মানিক সরকার।…

ByByTaniya Chakraborty Sep 8, 2026
Scroll to Top