নয়াদিল্লি, ১০ অক্টোবর (হি. স.) : হামাস বাহিনীর সঙ্গে ইজরায়েলের যুদ্ধের জেরে নয়াদিল্লির ইজরায়েলের দূতাবাসের নিরাপত্তা বাড়ানো হল। পাশাপাশি ইহুদিদের ধর্মাচরণ পরিচালনার কেন্দ্র, চাবাদ হাউসেরও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশের এক আধিকারিক এবিষয়টি জানিয়েছেন। ইজরায়েলের সামরিক বাহিনী ও ফিলিস্তিনি জঙ্গি সংগঠন হামাসের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ চলছে। হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তারপর থেকে গাজায় চলছে একের পর এক বিমান হামলা। এই সংঘর্ষের জেরেই রাজধানীতে ইজরায়েলের দূতাবাসের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ইহুদিদের ধর্মাচরণ কেন্দ্র, চাবাদ হাউসের নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়েছে। ইজরায়েলের দূতাবাস ও মধ্য দিল্লির চাঁদনি চকে অবস্থিত চাবাদ হাউসে নজরদারি বাড়াতে ও অতিরিক্ত পুলিশকর্মী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইজরায়েলি দূতাবাসে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যই এই পদক্ষেপ।
শনিবার প্রথমে ফিলিস্তিনি জঙ্গি সংগঠন হামাস ইজরায়েলে ৫০০০টি রকেট ছোড়ে। এছাড়া সীমান্ত পেরিয়ে দেশটির বিভিন্ন শহরে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালায়। বাড়িতে ঢুকে সাধারণ মানুষকে অপহরণও করে। হামাস জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সেদিনই যুদ্ধ ঘোষণা করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি হামাসকে আইএস জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে তুলনা করে অন্যান্য দেশের সমর্থন চান। ইতিমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন সহ অনেক দেশই ইজরায়েলকে সমর্থন জানিয়েছে। ভারতও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে। এদিকে, হামাসের হামলার পাল্টা হিসেবে গাজায় ইজরায়েলের বিমান হামলা জারি আছে। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট সোমবার গাজা উপত্যকায় ‘সম্পূর্ণ অবরোধ’ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সংঘর্ষে ইজরায়েলি এবং ফিলিস্তিনি মিলে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৫০০ জন নিহত হয়েছেন। আহত ২ হাজারের বেশি।



















