নিজস্ব প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া, ৩ মার্চ৷৷ পুলিশের খাকি উর্দি গায়ে জড়িয়ে যাকে খুশি তাকে পেটাও, দিন দুপুরে তেলিয়ামুড়া চলছে এমনটাই খেলা৷ শান্তির পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে এবার আদা জল খেয়ে ময়দানে তৎপর বামেদের দালাল এক পুলিশ অফিসার, এমনটাই অভিযোগ উঠেছে তেলিয়ামুড়া থানার এস.আইএর বিরুদ্ধে৷ ঘটনা শুক্রবার তেলিয়ামুড়া থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে৷
অভিযোগ মূলে জানা যায়, তেলিয়ামুড়া থানার সম্মুখে তেলিয়ামুড়া থানার এস.আই সুকান্ত দেবের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে হেলমেট চেকিং এর নামে বেধড়কভাবে মোটা শক্ত লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ জনদের৷ পরবর্তীতে এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে পেরে তেলিয়ামুড়া বাজার এলাকার শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন সাধারণ মানুষজন থানা চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে শুরু করে৷ মূলত খাকি উর্দীধারী পুলিশ প্রশাসনের কাছে সাধারণ মানুষ জনদের জিজ্ঞাসা কি কারণে সাধারণ মানুষজনেদের উপর এই আক্রমণ? তখন পুনরায় সুকান্ত দেব নামের ওই পুলিশ অফিসার কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের লেলিয়ে দেয় সাধারণ মানুষজনেদের লাঠি পেটা করার উদ্দেশ্যে৷ খবর রয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের আক্রমণে এক যুবক গুরুতর আহত হয়৷ হাত সম্পূর্ণভাবে ভেঙ্গে যায় বলে খবর রয়েছে৷ ফলে অগ্ণি গর্ভ পরিস্থিতির রূপ নেয় তেলিয়ামুড়া থানা চত্বর৷ সেই ঘটনার খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া থানার ওসি সুব্রত চক্রবর্তী সহ তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক প্রসূন কান্তি ত্রিপুরা ঘটনাস্থলের ছুটে আসে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়৷ এদিকে থানা সূত্রে খবর রয়েছে, তেলিয়ামুড়া থানার এস.আই সুকান্ত দেব নাকি বামেদের একেবারে ঘরের ছেলে৷ শুধু তাই নয়, উনার বিরুদ্ধে থানা চত্বরে কান পাতলেই অভিযোগের পাহাড়৷ থানার অভ্যন্তরে কান পাতলেই শোনা যায় বিভিন্ন জায়গা থেকে তোল্লা আদায়, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নিজের কর্তব্য পালন সহ বহু অভিযোগ রয়েছে গুণধর তথাকথিত এস.আই সুকান্ত দেবের বিরুদ্ধে৷ তবে শুক্রবার তেলিয়ামুড়া থানা চত্বরে ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত ঘটনাটি নিজ চোখে চাক্ষুষ করেছে তেলিয়ামুড়ার বহু মানুষ জন৷ তবে বলার অপেক্ষায় রাখে, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ও.সি,র সু-বুদ্ধিমত্তার কারণে মূলত তেলিয়ামুড়া থানার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি নিয়ন্ত্রণে আসলো৷ তবে সাধারণ জনগণ থেকে এখন একটাই দাবি, তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ অফিসার সুকান্ত দেবের বিরুদ্ধে পুলিশের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষ যেন অতিসত্বর কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করে৷ নতুবা পুলিশের আতঙ্কে আতঙ্কগ্রস্ত থাকতে হবে তেলিয়ামুড়ার সাধারণ মানুষজনকে৷



















