নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১০ নভেম্বর৷৷ বিশালগড়ের নেহাল চন্দনগর সুকলের প্রথম শ্রেণির দুই ছাত্রের মধ্যে মারপিটের ঘটনায় গুরুতর ভাবে আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷
ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে৷ দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ণ উঠেছে৷কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে আহত এক সুকল ছাত্র৷ সুকল কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া দুই ছাত্রের মারামারিতে আহত এক ছাত্র৷ আহত ছাত্রের নাম সৌরভ দাস (৬)৷ বাবার নাম মরণ দাস৷ ঘটনাটি ঘটে বিশালগড় নেহাল চন্দ্র নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে৷ ঘটনার বিবরণে জানা যায় ,বুধবার প্রতিদিনের মতোই যথারীতি বিশালগড় নেহাল চন্দ্র নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হয়৷
কিন্তু কোনো এক সময়ে প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া দুই ছাত্রের মধ্যে মারামারি শুরু হয়৷ যার ফলে আহত হয় সৌরভ দাস (৬) নামে প্রথম শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্র৷ এদিকে এই ঘটনার পর খবর পেয়ে ছুটে আসে ছোট্ট শিশুর পরিবারের লোকেরা৷ প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া সৌরভ দাসকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে৷ বর্তমানে বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই সুকল পড়ুয়া৷ পরবর্তী সময় আহত ছাত্রের পরিবারের লোকেরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একপ্রকার ক্ষোভ উগরে দিলেন৷ অভিযোগ ,এই ঘটনার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মানবিকতার খাতিরে আহত শিশুটির সামনে পর্যন্ত যায় নি৷ বরং শিক্ষক স্বল্পতার দোহাই দিয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছে শিক্ষকরা৷
এদিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বক্তব্য নেহাল চন্দ্র নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছে ৪ জন৷ যার দরুন উনারা সব দিক দিয়ে সামাল দিতে পারছেন না৷ রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গলা ফাটিয়ে মাইক দিয়ে বলছেন যে , কোনো বিদ্যালয়েই শিক্ষক স্বল্পতা নেই৷ তাহলে বিশালগড় নেহাল চন্দ্র নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দিকে তাকালে বলা যায় যে মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে বাস্তবের কোনো মিল নেই৷ এদিকে বর্তমানে বেকারের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে, শুভ বুদ্ধি মহলের দাবি যারা বি এড, ডি এল এড করে বসে আছে রাজ্য সরকার যদি টেট পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দ্রুত গতিতে শুরু করে তাহলে বিভিন্ন বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক স্বল্পতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে৷

















