News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • অব্যবহৃত চা-বাগানের জমি শিল্প ও পর্যটন প্রকল্পে ব্যবহারের পরিকল্পনা: মুখ্যমন্ত্রী
Image

অব্যবহৃত চা-বাগানের জমি শিল্প ও পর্যটন প্রকল্পে ব্যবহারের পরিকল্পনা: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৪ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরায় চা চাষের জন্য বরাদ্দ করা হলেও বর্তমানে অব্যবহৃত জমি শিল্প ও পর্যটন প্রকল্পের জন্য ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা জানান, বিনিয়োগকারীদের জমির চাহিদা মেটাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি আধিকারিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে চা চাষের জন্য মোট ১২ হাজার ৮৩২ হেক্টর জমি বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে চা চাষ হচ্ছে। ফলে অব্যবহৃত জমির একটি অংশ অন্যান্য উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরায় বিভিন্ন শিল্প ও পর্যটনভিত্তিক প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে বহু উদ্যোক্তা আগ্রহ প্রকাশ করছেন। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের জন্য উপযুক্ত জমির ব্যবস্থা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে চা চাষের জন্য বরাদ্দ কিন্তু বর্তমানে অব্যবহৃত জমি অন্যান্য প্রকল্পের জন্য ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, অব্যবহৃত চা-বাগানের জমি শিল্প ও অন্যান্য প্রকল্পের জন্য দেওয়ার প্রস্তাবে ইতিমধ্যেই রাজ্য মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে।

গত জুলাই মাসে আয়োজিত ব্যবসায়িক সম্মেলনের পর রাজ্যে বিনিয়োগের আগ্রহ আরও বেড়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ওই সম্মেলনে ত্রিপুরার বাইরে থেকে ১,২০০-রও বেশি প্রতিনিধি অংশ নিয়েছিলেন। সম্মেলনের পর একাধিক বিনিয়োগকারী রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রকল্প স্থাপনের জন্য জমির দাবি জানিয়েছেন।

প্রস্তাবিত বিনিয়োগের মধ্যে পর্যটন প্রকল্পের পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজ এবং সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালও রয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে, রাজ্যে চিকিৎসা শিক্ষার পরিকাঠামো আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালে সুপার স্পেশালিটি কোর্স চালুর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের জন্য আরও ১০০টি এমবিবিএস আসনের অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠান দুটির মোট এমবিবিএস আসন সংখ্যা বেড়ে ২৫০ হয়েছে।

বর্ধিত আসনসংখ্যার পর এবার চিকিৎসা শিক্ষার পরবর্তী ধাপ হিসেবে সুপার স্পেশালিটি কোর্স চালুর মাধ্যমে রাজ্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা শিক্ষা ও পরিষেবার পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

Releated Posts

ভিলেজ কমিটি নির্বাচন: উত্তর ত্রিপুরায় ভোটের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা এসইসি-র

ধর্মনগর, ২৪ সেপ্টেম্বর: আসন্ন এডিসি ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তর ত্রিপুরা জেলায় নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা…

ByByTaniya Chakraborty Sep 24, 2026

টেট উত্তীর্ণ ১৮৫৬ জনকে একসঙ্গে নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ, আন্দোলনে জলকামান প্রয়োগ, গ্রেফতার চাকরিপ্রার্থীরা

আগরতলা, ২৪ সেপ্টেম্বর: ২০২৪ সালে টেট-১ ও টেট-২ উত্তীর্ণ ১,৮৫৬ জন চাকরিপ্রার্থীর একসঙ্গে নিয়োগের দাবিতে বৃহস্পতিবার ফের বিক্ষোভে…

ByByReshmi Debnath Sep 24, 2026

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসার আশ্বাস পেয়ে ফিরে গেলেন সাহায্য প্রত্যাশীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ সেপ্টেম্বর: চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অতীতে রাজ্যে যা অসম্ভব ছিল বর্তমানে তা সম্ভব হচ্ছে। চিকিৎসা…

ByByReshmi Debnath Sep 23, 2026

ফেস্টিভ্যাল গ্রান্টে বাড়তি বরাদ্দ ৬.১৪ কোটি, নতুন হারে মিলবে উৎসব ভাতা

আগরতলা, ২৩ সেপ্টেম্বর: দুর্গাপূজার আগে রাজ্যের সরকারি কর্মী, শ্রমিক, পেনশনভোগী ও অন্যান্য যোগ্য উপভোক্তাদের জন্য ফেস্টিভ্যাল গ্রান্ট ও…

ByByTaniya Chakraborty Sep 23, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top