নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১০ নভেম্বর৷৷ কমলপুরে গতকাল ইন্দো-বাংলাদেশ বর্ডার হাট খোলা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷ কমলপুরের সোনারাইয়ের নিকটবর্তী আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৯০৩নং পিলারের বাংলাদেশ অংশে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷ উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ধলাই জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক মোসালেমউদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক রুমানা ইয়াসমিন৷
এই বৈঠকের বিষয়ে ধলাই জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক মোসালেমউদ্দিন আহমেদ জানান, ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৯০৩নং পিলার এবং ১৩৪ নম্বর সীমান্ত গেটের কাছে ভারতের ১.৩৬ একর এবং বাংলাদেশের ১.৩৬ একর জমি নিয়ে গড়ে উঠবে এই সীমান্ত হাট৷ এই সীমান্ত হাটে বাংলাদেশের ৫০ জন এবং ভারতের ৫০ জন বিক্রেতা পণ্য সামগ্রী বিক্রয় করতে পারবেন৷ উভয় দেশ থেকে ১৫০ জন করে ক্রেতা হাজির থাকতে পারবেন৷ একজন বিক্রেতা সর্বোচ্চ ২০০ ডলারের পণ্য সামগ্রী এই সীমান্ত হাটে বিক্রয় করতে পারবেন৷ প্রত্যেক মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই সীমান্ত হাট খোলা থাকবে৷ প্রত্যেক ক্রেতা বিক্রেতাকে সচিত্র পরিচয়পত্র নিয়ে আসতে হবে৷ এক্ষেত্রে আমবাসা মহকুমার মহকুমা শাসক এবং বাংলাদেশের কমলগঞ্জের ইউএনও সচিত্র পরিচয়পত্র দেবেন৷ সীমান্ত হাট প্রকল্প রূপায়ণে ৫ কোটি টাকা ম’র করেছে ভারত সরকার৷ এই অর্থ ব্যয় হবে ত্রিপুরা শিল্প উন্নয়ন নিগমের মাধ্যমে৷
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কমলপুর মহকুমার সীমান্ত হাটে গড়ে তোলা হবে কমন ফেসিলিটেশন সেন্টার৷ এতে থাকবে একটি সভাগৃহ, চিকিৎসা কক্ষ ও টাকা বিনিময়ের জন্য ব্যাঙ্কার্স কক্ষ৷ তাছাড়া থাকবে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা শৌচাগার৷ এই সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনার জন্য জয়েন্ট বর্ডার হাট ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠিত হয়েছে৷ কমিটির ভারতীয় অংশের চেয়ারম্যান হয়েছেন ধলাই জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক মোসালেমউদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ অংশের চেয়ারম্যান হয়েছেন মৌলভীবাজার জেলার অরিরিক্ত জেলাশাসক রুমানা ইয়াসমিন৷ মাছ ও শুকনো মাছ সহ মোট ১৮টি পণ্য সামগ্রী এই সীমান্ত হাটে ক্রয়-বিক্রয় হবে৷


















